রাত ১০:৩১ । ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ । ৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ২০শে রজব, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : https://www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম
শ্যামনগরে প্রাইভেটকার নদীতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুই” “ভাঙারির দোকান থেকে কেনা বাটির মূল্য ৫ কোটি টাকা!” শ্যামনগরে প্রাইভেটকার উল্টে একজন নিহত, আহত চার “কামড়ে দেবরের মাংস তুলে নিলেন ভাবি!” শ্যামনগরে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মৎস্য চাষীদের মানববন্ধন “যে কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্যামনগরে আসতে চাচ্ছেন সামরিক সরকার আদেশ অমান্য করে মিয়ানমারের তিন পুলিশ আশ্রয় নিল ভারতে “ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তার পানি আর সীমান্ত হত্যা নিয়ে যে ব্যাখ্যা করলেন” বিদ্যুতের খুঁটির জন্যে রক্ষা পেলো ৬০ বাস যাত্রীর প্রাণ! ভোরে গ্রেফতার, রাতে ‘র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

“সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণ তিন জেলে নিখোঁজের খবরে সর্বশেষ যা জানা গেল”

প্রতীকী ছবি

ডেস্ক রিপোর্টঃ “সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চের কাচিকাটা এলাকা থেকে দুই মৎস্যজীবীকে বাঘে ধরে নিয়ে গেছে বলে একটি খবর প্রচার হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তবে সঠিক কোন তথ্য এখনো পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম জানিয়েছেন।

 

২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তিদের বাঘে ধরে নিয়ে যায় বলে খবর আসে। তবে প্রকৃত ঘটনা কি তা এখনো জানা যায়নি। এই বিষয়ে শেষ খবর রাত ১০:৪০ মিনিট এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপরদিকে, মোবাইলের মাধ্যমে খবর দেয়া অপর ব্যক্তিও নিখোঁজ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কৈখালী গ্রামের কফিলউদ্দিনের ছেলে রতন (৪২) ও একই গ্রামের মনোমিস্ত্রির ছেলে মিজানুর রহমান (৪০)। নিখোঁজ ব্যক্তি হলেন সাত্তারের ছেলে আবু মুসা (৪১)।

 

কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম নীলাকাশ বার্তাকে জানিয়েছেন, সুন্দরবনের মধ্যে খালে কাঁকড়া ধরার জন্য যান রতন, মিজানুর রহমান ও আবু মুসা। তারা তিন জন এক সঙ্গে ছিলেন। সন্ধ্যার পর আবু মুসা মোবাইলে জানান, রতন ও মিজানুরকে কাচিকাটা এলাকা থেকে বাঘে ধরে নিয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করেও উদ্ধার করতে পারিনি। তাদের খুঁজে পাচ্ছি না।’ এরপর থেকে তার ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তারও সন্ধান মিলছে না।

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আমি রাত ৯টার দিকে কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন ও বিজিবিকে অবহিত করেছি। আমরা ট্রলার নিয়ে প্রস্তুত রয়েছি। সন্ধান পেলেই উদ্ধারের কাজে নামব।”

 

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চের কর্মকর্তা আবুল হাসান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “তিনি ঘটনাটি রাত ৯টার দিকে জানতে পেরেছেন। বাঘের আক্রমণে দুজন আহত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে এখনো বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি, বলেন তিনি। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চ ও ভারত রেঞ্চের সীমান্ত এলাকায় বাঘের এ আক্রমণটি হয়েছে বলেও ধারণা করেন তিনি।”

কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‌”আমিও শুনছি। তবে তারা কোথায় রয়েছেন, তা কেউ বলতে পারছেন না। একটা নৌকায় তারা তিনজন কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন।”

তিনি বলেন, “কৈখালী এলাকায় একপাশে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবন অপরপাশে ভারতীয় এলাকা। ওই তিন জন ভারতীয় পাড়ে গিয়েছিলেন কাঁকড়া ধরতে। সেখান থেকে এক জন সংবাদ দিয়েছেন, দুই জনকে বাঘে ধরে নিয়ে গেছে। পরে সংবাদ দেয়া ব্যক্তিরও সন্ধান মিলছে না। আমরাও ভারতীয় পাড়ে যেতে পারছি না। এদিকে, এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।”

” আগামীকাল (শুক্রবার) দিনের বেলা ছাড়া কোনো কিছুই উৎঘাটন করা সম্ভব হচ্ছে না।”

 

আরও পড়ুন

“শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট”

নীলাকাশ বার্তাঃ “কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। ভাওয়াল মির্জাপুর পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবদুল কাইয়ুম সরকার আবেদনকারী হয়ে আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।”

রিট আবেদনকারীর আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিচারপতি মোঃ খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মোঃ মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।”

এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে ১১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাবর আইনি নোটিশ পাঠান রিট আবেদনকারী। এর জবাব না পেয়ে আজ রিটটি করা হয় বলে জানান তাঁর আইনজীবী।

রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিলম্ব ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নির্দেশনা দেওয়ার আরজি রয়েছে রিটে। শিক্ষা সচিব, শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা- পরিচালক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ ছয়জনকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।”

আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।”

“ইতিমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ বিভিন্ন সময়ে বাড়ানো হয়েছে। “সর্বশেষ ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এর বৈধতা নিয়েই রিটটি করা হয়েছে।” শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের নেতিবাচক প্রভাবও দেখা যায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *