সকাল ৭:৪০ । ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ । ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ২৩শে রজব, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : https://www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম
“ট্রেনের নিচে প্রেমিক যুগলের ঝাঁপ, জীবন গেল প্রেমিকের” “চলতি সপ্তাহের ভাইরাল সংবাদ “ফেঁসে যাচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা!” “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল প্রেরণা”- কবির নেওয়াজ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্র বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে “সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন বাপ্পী সভাপতি, সুজন সম্পাদক” “৪ যুবকের সঙ্গে কিশোরীর ‘প্রেম’, পরে লটারিতে মীমাংসা!” “শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে কাঁদতে কাঁদতে নববধূর মৃত্যু” গাড়িবোমা হামলা চালিয়ে ২০ জনকে হত্যা” “মিয়ানমারে চরম বিপাকে সেনাবাহিনী, রাস্তায় রাস্তায় ঝুলছে নারীদের লুঙ্গি!” “জোটের রাজনীতি- ঘরের আগুনে পুড়ছে ১৪ দল”

“করোনায় চাকরি হারিয়ে তারা হলেন সফল উদ্যোক্তা”

নীলাকাশ বার্তাঃ “মহামারি করোনাভাইরাস পুরো পৃথিবীকেই ওলটপালট করে দিয়েছে। কেউ যা ভাবতে পারেনি, গত এক বছরে বিশ্বে তাই হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে একের পর এক লকডাউন দিতে বাধ্য হয়েছে বিভিন্ন দেশ। এর ব্যতিক্রম হয়নি বাংলাদেশেও। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। টানা লকডাউনে বন্ধ হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিল্প- কারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মানুষের আয়- রোজগারের পথ। বেকার হতে হয়েছে বহু মানুষকে। বেঁচে থাকা নিয়ে চিন্তায় মানুষের ঘুম হারাম।”

“তবে এমন অবস্থার মধ্যেও বেঁচে থাকার সংগ্রামে সফল হয়েছেন অনেকে। বেকারত্বের অভিশাপ মোচনে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, হয়েছেন উদ্যোক্তা। শুধু নিজেরই নয়, অন্যদেরও বাঁচার পথ দেখিয়েছেন।”

“করোনার এই কঠিন সময়ে চাকরি বা আয় -রোজগারের পথ হারিয়ে উদ্যোক্তা হয়েছেন- এমন ৪ জন একান্ত আলাপে জানিয়েছেন করোনার এ সময়ে কঠিন পথচলা এবং তাদের স্বপ্ন ও সফলতার কথা।”

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত বছরের মার্চে সরকার দেশে লক ডাউন দিতে বাধ্য হয়। তখন জয়ন্ত বাড়ৈ একটি কোম্পানিতে ভ্রমণ বিষয়ক কাজ করতেন। লক ডাউনের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোম্পানির আয় প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এপ্রিল থেকে পুরো বেকার হয়ে যান জয়ন্ত।”

“কী করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। ব্যবসার প্রতি তার ঝোঁক ছিল সব সময়। বিপদের এ সময়ে তাই তিনি লাইফস্টাইল প্রোবিডি ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কসমেটিক্সের ব্যবসা শুরু করেন।”

জয়ন্ত বাড়ৈ বলেন, “লাইফস্টাইল প্রোবিডি ডটকম সাইটটি দেড় বছর আগে খোলা হয়েছিল। তবে বেকার হওয়ার পর ব্যবসার চিন্তা থেকেই পেইজটি নিয়ে কাজ করতে থাকি। বর্তমানে পেইজে ফলোয়ার আছেন ২৭ হাজারের বেশি।”

কত টাকা পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পুঁজি বলতে তেমন কিছুই না। মাত্র ৩৫শ’ টাকায় ব্যবসা শুরু করেছিলাম। ৮ মাস পর এখন আমার পুঁজি প্রায় ৩ লাখ টাকা। আর প্রতি মাসে আয় হয় প্রায় ৩০-৪০ হাজার টাকা।

নবীন এই উদ্যোক্তা আরও বলেন, আমার সঙ্গে আরও দুইজন কাজ করেন। তবে অর্থের অভাবে ব্যবসা বড় করতে পারছি না। ব্যাংক লোনের চেষ্টা করেছি কিন্তু পাইনি। ব্যবসা বড় করতে পারলে আরও ৫-৬ জনের আয়ের ব্যবস্থা করতে পারব।”

“সরকারের একার পক্ষে এত বিশাল জনগোষ্ঠীর দায়িত্ব নেয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে জয়ন্ত বলেন, যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করে বের হচ্ছেন তাদের আমি বলব- ব্যবসা করার মনোভাব তৈরি করুন। এতে আপনি যেমন লাভবান হবেন, তেমনি আরও কয়েক জনের আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন। তাই পড়াশোনা শেষে চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনিও ভালো থাকবেন, দেশও ভালো থাকবে।”

জাহানারা বেগম

জাহানারা বেগম। করোনা মহামারি শুরুর আগে তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমে কাজ করতেন। জুন মাসে চাকরি হারিয়ে নিজেই উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। পরে অনেক ভেবে চিন্তে শুরু করেন মসলার ব্যবসা। সংসারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হচ্ছে মসলা, যা ছাড়া একদিনও চলা সম্ভব নয়। এ চিন্তা থেকে মসলার ব্যবসা শুরু করেন তিনি।”

তিনি বলেন, “আমরা ব্যবসা মূলত অনলাইন ভিত্তিক। ৬ মাস হলো ব্যবসা করছি। হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়োসহ সব ধনের মসলা বিক্রি করি। এগুলো প্রথমে বাজার থেকে কিনে আনি, এরপর রোদে শুকিয়ে নিজেরা গুঁড়ো করে বাজারজাত করি।”

কেমন সাড়া পাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। পণ্যের গুণগতমান ঠিক রাখি ও কোনো রং বা প্রিজারভেটিভ মেশাই না।

জাহানারা বেগম বলেন, ৬ মাস হলো ব্যবসা করছি। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করলেও এখন প্রতি মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকার মতো বিক্রি করছি। এ থেকে যে আয় হয় তাতে চাকরির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। চাকরি না করে আরও আগে এ ব্যবসা করতে পারলে বেশি লাভবান হতাম। চলতি মাসেও আমি ১০০ কেজি মসলা বিক্রি করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “মনোহরি নামে একটি ফেসবুক পেইজ আছে আমার। এ পেইজের মাধ্যমেই মূলত আমার বিক্রি। এছাড়া পরিচিতদের মাধ্যমেও প্রচুর বিক্রি হয় পণ্যগুলো।

সাবিনা ইয়াসমিন মিথিলা

মিথিলা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। করোনার কারণে গত বছরের মে মাসে কোম্পানি তাকে বেতন না দিতে পেরে চাকরি থেকে বাদ দেয়। এরপর বসে না থেকে তিনি প্যাকেজিংয়ের ব্যবসা শুরু করেন। তার পণ্যগুলো হলো- কার্টন, জিপার ব্যাগ, ড্রেস প্যাকেটিং, টিস্যু ব্যাগ, হিমালয়ান পিংক সল্ট- যেগুলো মূলত পাকিস্তান, নেপাল ও ভারত থেকে আসে।

মিথিলা বলেন, করোনার সময়ে বসে না থেকে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেই। এমন পণ্যের ব্যবসা করতে চাই যা অনেক দিন সংরক্ষণ করলেও পচে না। সেই চিন্তা থেকেই এ ব্যবসার চিন্তা মাথায় আসে।

তিনি বলেন, মাত্র ১ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করি। এসএস ট্রেডিং নামে আমার একটি ই-কমার্স পেইজ আছে। এ পেইজের মাধ্যমেই বিক্রি করে থাকি।

আরও পড়ুন

“কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া ১ লাখ ডলার বিদেশে পাঠানো যাবে”

নীলাকাশ বার্তাঃ “বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়াই এখন থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন এক লাখ ডলার বিদেশে পাঠাতে পারবে।”

“বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।”

“প্রজ্ঞাপনে বিগত বছরের বিক্রির ১ শতাংশ অর্থের সঙ্গে এক লাখ ডলারের সীমা রাখা হয়েছে। এ দুটির মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য বিদেশে পাঠানো যাবে।”

এর আগে গত নভেম্বরে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়কর বিবরণীতে ঘোষিত বিগত বছরের বিক্রির ১ শতাংশ পরিমাণ অর্থ বিদেশি মুদ্রায় পাঠানোর আওতা বাড়ানো হয়।

এতে শুধু প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ ফির মধ্যে সীমিত না রেখে অন্যান্য যৌক্তিক ব্যয় বাবদ অর্থ বিদেশে পাঠানোর অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ওই নির্দেশনায় অডিট ফি, সার্টিফিকেশন ফি, কমিশনিং ফি, টেস্টিং ফি, মূল্যায়ন ফি বিদেশে পাঠানো যাবে বলে জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


3

2