দুপুর ১:০৭ । ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক সামিউল মন্টি ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নীলাকাশ বার্তা এর খুলনা বিভাগীয় প্রধান জে এম নুর ইসলাম নুরনগর ইউনিয়ন বাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান এম বখতিয়ার আহমেদ শ্যামনগর বাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আলমগীর হায়দার সুখ,শান্তি,সমৃদ্ধি কামনা করে নীলাকাশ গ্রুপের চেয়ারম্যানের ঈদের শুভেচ্ছা ‘অনলাইন ঈদগাঁও’র উদ্যোগে ক্বেরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ নুরনগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউনিয়ন আ”লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনির আহমেদ ইসরায়েলে বড় হামলা হামাসের, পাঁচ মিনিটেই ১৩৭টি রকেট নিক্ষেপ ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রিডা প্রাইভেট হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক আল মামুন

ডাক্তার-পুলিশ বিতণ্ডা কে দোষী

Spread the love
নীলাকাশ বার্তাঃ সম্প্রতি বিভিন্ন খাতের কয়েকজন কর্মকর্তার তুমুল বিতণ্ডা এবং অপরিশীলিত আচরণ সম্বলিত একটি ভিডিও ভাইরাল হবার পর জনপরিসরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ কেমন হবে- এ প্রশ্নটি নতুন করে সামনে এসেছে।

প্রশাসনের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তারা বলছেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সময় সরকারি কর্মকর্তাদের পরিশীলিত আচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে জানানো হলেও এ বিষয়ে বিধিমালা বা নিয়মকানুন তেমন কিছু নেই।

যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, তাতে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ ও একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে এক চিকিৎসক চরম বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন। তারা পরস্পর পরস্পরকে অপরিশীলিত বাক্যবাণ করছেন এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষমতা জাহির করার চেষ্টা করছেন। তিনজনই সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা।

ফেসবুকে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ডাক্তারের এমন ব্যবহার কতটা সমীচীন? আবার কেউ কেউ লিখছেন, পুলিশের হয়রানি নিয়ে অনেক দিনের জমানো ক্ষোভ থেকেই হয়তো এমন প্রতিক্রিয়া!

১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা রয়েছে, যেখানে একজন সরকারি কর্মকর্তা নির্ধারিত কিছু বিষয়ে কিভাবে পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। তবে সেখানে জনগণের সাথে আচরণ কেমন হবে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

সরকারি কর্মচারী কোনো বিষয়ে তার পক্ষে হস্তক্ষেপ করার জন্য কোনো অনুরোধ বা প্রস্তাব নিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো সংসদ সদস্য বা অন্য কোনো বেসরকারি ব্যক্তির দ্বারস্থ হতে পারবে না।

– সরকারি কর্মচারী তার চাকরি সংক্রান্ত কোনো দাবির সমর্থনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার বা কোনো সরকারি কর্মচারীর উপর কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো বহিঃপ্রভাব খাটাতে পারবে না।

– কোনো সরকারি কর্মচারী মহিলা সহকর্মীর প্রতি কোনো প্রকারে এমন কোনো ভাষা ব্যবহার বা আচরণ করতে পারবেন না যা অনুচিত এবং অফিসিয়াল শিষ্টাচার ও মহিলা কর্মচারীদের মর্যাদার হানি ঘটায়।

তবে, এসব বিধিমালা প্রায় সময়ই মানা হয় না বলে নানা ধরণের অভিযোগও দেখা যায়।

মাঠ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুজা মণ্ডল বিবিসি বাংলাকে বলেন, যদিও তারা চাকরিতে আসার পর যে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণটি পান সেখানেই আচরণবিধির অনেকটাই শেখেন। তবে মূল শিক্ষাটি পান কাজ করতে এসে সিনিয়রদের কাছ থেকে।

‘যখন কালেক্টরেটে কাজ করতে এসেছি, তখনই বড়দের কাছে শিখেছি, কীভাবে জনগণের সাথে আচরণ করতে হবে। আমাদের সবসময় সহিষ্ণু আচরণ করতে শেখানো হয়েছে।

আর সেবাগ্রহীতাদের প্রতি সেই আচরণ হতে হবে ‘অবশ্যই আন্তরিক এবং মানবিক।

মাঠ পর্যায়ে কর্মরত আরেকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে বলেন, বিসিএস পরীক্ষার পর ক্যাডার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেয়ার পর যে প্রশিক্ষণগুলো হয়, সেখানে জনগণের প্রতি আচরণ কেমন হবে সে সম্পর্কে পাঠ দেয়া হয়। তবে এ বিষয়ে আলাদা করে কোনো প্রশিক্ষণের কথা জানাতে পারেননি তিনি।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার লিখিত আচরণবিধি না থাকার উল্লেখ করেন, তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দফতর পরিপত্রের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়টি জানিয়ে দেয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ভাইরাল ভিডিওর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি নির্দেশনা দিয়ে বলেছে, লকডাউন চলাকালে সব চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীরা যেন পরিচয়পত্র সাথে রাখেন।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘আশা করা হয় যে সরকারি কর্মকর্তা যারা আছেন তাদের আচরণ হবে পরিশীলিত। এটা জনগণ তো বটেই, সহকর্মীদের সাথেও এমন আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।

যে ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত, সেটি সারা দেশের চিত্র নয় বলে বর্ণনা করছেন আলী ইমাম মজুমদার। আবার ভিডিওটিও ঘটনাপ্রবাহের পুরো চিত্র নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

‘পুরো ঘটনার চিত্র ভিডিও আকারে আসেনি। মাঝামাঝি পর্যায় থেকে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে। উত্তেজনা যখন তুঙ্গে থাকে তখনই ভিডিও করা হয়। এর আগে করা হয় না,’ বলেন তিনি।

তবে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, পুরো দেশেই লকডাউন চলছে। সেখানে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে যা বাস্তবায়নে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

‘বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে গিয়ে দুয়েক জায়গায় কিছু ভুল-ভ্রান্তি হওয়াটা অযাচিত কিন্তু অস্বাভাবিক নয়।

তার মতে, গোটা কর্মকাণ্ডের তুলনায় এটাকে খুব বড় করে দেখার সুযোগ নেই। তবে এটা ‘দুঃখজনক এবং এটা হওয়াটা ঠিক হয়নি’। কারণ যারা রাস্তায় দায়িত্ব পালন করছেন তারা অন্য কারো সাথে অশোভন আচরণ করতে পারেন না।

‘গতকাল ক্ষেত্র-বিশেষে সেটাই হয়েছে এবং এটা অযাচিত।’

তিনি বলেন, একদিকে পুলিশের আচরণও পরিশীলিত ছিল না, আর অন্যদিকে চিকিৎসক যিনি ছিলেন, তিনিও যেসব কথা বলেছেন সেটাও কাঙ্ক্ষিত নয়। তার আচরণও অযাচিত।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আকবর আলি খান বলেন, বাংলাদেশে যে ক্যাডার সার্ভিসগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে এক ধরণের অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়ে গেছে। এরা একে অপরকে সহ্য করতে পারে না। এক্ষেত্রে সে বিষয়টি কাজ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একই সাথে যারা দায়িত্ব ছিলেন, তারাও হয়তো ভালোভাবে প্রশিক্ষিত হননি – এসব কারণেই এ ধরনের ঘটনার উদ্ভব হয়।

তবে আকবর আলি খান একে সরকারি কর্মচারীদের আচরণ না বলে এই ঘটনাকে তাদের ব্যক্তিগত আচরণ হিসেবেই দেখতে চান।

তিনি বলেন, জনগণের সাথে আচরণ কেমন হবে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হলে মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণা দরকার। সেটি না হলে প্রশিক্ষণ ফলপ্রসূ হবে না। তবে এ ধরণের গবেষণাও বাংলাদেশে অপ্রতুল।

সূত্র : বিবিসি

আরও পড়ুন

পিঠে সিলিন্ডার বেঁধে মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন ছেলে, ছবি ভাইরাল

নীলাকাশ বার্তাঃ লকডাউনের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি অ্যাম্বুলেন্স। তাই নিজের মাকে বাঁচাতে নিজের পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে মোটর সাইকেল নিয়ে
হাসপাতালের দিকে ছুটে চলেছেন ছেলে।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে। ছবিটি বরিশাল- পটুয়াখালী সড়কের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে তোলা বলে বলা হচ্ছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, “অসুস্থ ওই নারীর নাম রেহানা পারভিন। তিনি করোনা পজেটিভ”। থাকেন ঝালকাঠি জেলার নলসিটি পৌর শহরে। ছেলে জিয়াউল হাসান কৃষি ব্যাংকের ঝালকাঠি শাখার কর্মকর্তা।”

রেহানা পারভিনের বোনের ছেলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, তার খালা রেহানা পারভিনের বয়স ৫৭ বছর। তিনি নলসিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। “কয়েক দিন পূর্বে তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। “নমুনা পরীক্ষার জন্য নলসিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তারা নমুনা সংগ্রহ করে।  কিন্তু এক সপ্তাহ পরেও রিপোর্ট না পাওয়ায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় নমুনা দেয়া হয়”। গেলো বৃহস্পতিবার তার করোনা পজেটিভ আসে”। শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল।” অক্সিজেন স্যাচুরেশন লেভেল কমে আসায় সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হয়।  কিন্তু শনিবার বিকেলে তার তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রেহানা পারভিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার বোনের ছেলে নাঈম হোসেন।

সূত্র যমুনা টেলিভিশন

আরও পড়ুন

শ্যামনগরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি- এলাকায় আতঙ্ক

শ্যামনগর অফিসঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদ চন্ডিপুর গ্রামে আমেরিকা প্রবাসী বাঙলি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন বিষয়ক পরামর্শক এর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
শনিবার ১৭এপ্রিল গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতরা বাড়ি থেকে ২৪ ভরি সোনা, নগদ ৩ লাখ টাকা ও জমির সকল দলিল দস্তাবেজ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরিবারের বড় ছেলে আব্দুস সাত্তার গণমাধ্যম কর্মীদের বলেছেন, আমি বাড়িতে ছিলাম ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১২ টার পরে পাঁচ সদস্যের একটি ডাকাত দল আমাদের ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে আমাদের তিন জনকে জিম্মি করে একটি অন্ধকার ঘরে আবদ্ধ করে রাখে। মুখোশ পরা পাঁচজন ডাকাত আমাদের পশ্চিম দিকের পুরানো বিল্ডিংয়ের কাঠের জানালা ভেঙে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে।তারপর নতুন বিল্ডিং এর দরজার হ্যাজবোল্ড ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে আমার গলা চেপে ধরে। সে সময় ডাকতরা বাড়ির কোথায় কি আছে জানতে চায়।তারপর একটি ঘরে বৈদ্যুতিক আলো নিভিয়ে তাদেরকে আটকে রাখে। একপর্যায়ে বাড়ির সবকিছু তছনছ করে ডাকাতরা।

ডাকাত দল চারটি আলমারি, দুইটি ওয়ারড্রপ, স্টিলের ড্রাম ভেঙে সেখান থেকে জমির সকল দলিল দস্তাবেজ, নগদ ৩ লাখ টাকা এবং ২৪ ভরি সোনা লুট করে ডাকাতরা সেহেরীর আগে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল হুদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, থানার ওসি (তদন্ত) কাজী শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন

গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক এখন পথের পাগল!

নীলাকাশ বার্তাঃ জন্মে ছিলেন অভিজাত পরিবারে। কৈশোর ও যৌবনে ছিলেন দুর্দান্ত মেধাবী ছাত্র। কর্ম জীবনে পেয়েছিলেন ‘অংকের যাদুকর’ খেতাব। কঠিন ও জটিল অংকের সহজ সমাধান দিতেন। ঢাকায় দীর্ঘদিন শিক্ষকতাও করেছেন প্রচুর সুনামের সাথে। নিজ এলাকায় গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানের পন্ডিত শিক্ষক হিসেবে সমধিক পরিচিতি ছিল তার।

বীজগণিতের উৎপাদক বিশ্লেষণের ফর্মুলা আবিষ্কার করে হৈ চৈ ফেলে দেয়া সেই আব্দুল গাফফারের এখন দিন কাটে পথে পথে। বয়স সত্তরের কাছাকাছি।

গায়ে দুর্গন্ধময় ময়লা কাপড়। মাথা ভর্তি এলোমেলো চুল। আপন মনে হেঁটে চলেন পথে পথে। এমন এক জন মেধাবী শিক্ষকের করুণ পরিণতি ও জীর্ণদশা দেখে পরিচিতজনরা হতবাক হলেও তাকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলার দায়িত্ব কেউ নেন না। অথচ তার নিপুণ মেধায় গড়া কত ছাত্র আজ প্রশাসনের উচ্চ পদে কর্মরত আছেন। ময়লাযুক্ত ছেঁড়া জামা কাপড় ও পাগল বেশি আব্দুল গাফ্ফার কোন দিন খেয়ে আবার কোন দিন না খেয়ে বছরের পর বছর ঘুরছেন।

মসজিদ, স্কুলঘর, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বারান্দা এখন এই জন প্রিয় শিক্ষকের বসবাসের জায়গা। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, মেধাবী শিক্ষক আব্দুল গাফ্ফার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খামারাইল গ্রামের কাজী আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। এলাকায় তাদের পরিবার অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত হিসেবে পরিচিত। আব্দুল গাফ্ফারের মেজ ভাই কাজী আব্দুল গনি নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসর নিয়েছেন। ছোট ভাই কাজী আব্দুল কাদের ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কর্মরত। তবে তাদের কোন ভাইয়ের সংসার জীবন বা সন্তানাদি নেই। গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ১০ বছর বয়সে পিতৃহারা হন আব্দুল গাফ্ফার। পিতৃহীন তিন ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে হতাশায় পড়েন সদ্য বিধবা মা কাজী বদরুন্নেছা। তাই সন্তানদের নিয়ে বদরুন্নেছা চলে আসেন মহেশপুর পৌর এলাকার জলিলপুর মোল্লা পাড়ার পিতার বাড়িতে। নানা নুরুদ্দীন আহম্মেদের বাড়িতে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করেন আব্দুল গাফ্ফার। বেড়ে ওঠেন তুখোড় মেধাবী ছাত্র হিসেবে।

এলাকায় তার মেধার দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ে। মা বদরুন্নেছার দ্বিতীয় বিয়ে হয় যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গোয়ালহাটি ও তৃতীয় বিয়ে হয় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ছাউলিয়া গ্রামে। মা বদরুন্নেছার সন্তানদের অনেকেই এখনো মহেশপুরের জলিলপুরের নানা বাড়িতে বসবাস করেন। এদিকে আব্দুল গাফ্ফার জগন্নাথ কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে বিএসসি ও এমএসসি পাশ করে ঢাকার মানিকনগর ও পরে মতিঝিল মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিয়ে করেন নড়াইলে। তার স্ত্রীও ছিলেন প্রধান শিক্ষক। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আর সংসার করা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *