রাত ১২:৪৩ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

করোনা বিরোধে ব্যাপক সংঘর্ষ, পুলিশের গুলিতে একজন নিহত

ফাইল ছবি

Spread the love

নীলাকাশ বার্তাঃ লকডাউন শুরু হলেও ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোর সড়কে মানুষ ও অনেক যানবাহন চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাছে ফরিদপুরের সালথায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় লকডাউন কার্যকর করা নিয়ে পুলিশের সাথে স্থানীয় একদল ব্যক্তির সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

পুলিশ বলেছেন, সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে উপজেলা সহকারি কমিশনারের (ভূমি) পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা বলেন, “রাত আটটা থেকে সাড়ে আটটার দিকে সালথা থানার এসি-ল্যান্ড ফোকরা বাজারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি একটি মুদি দোকান বন্ধ করতে বলছিলেন।

“এটা নিয়ে তাদের মধ্যে বাক -বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এসি ল্যান্ড এবং তার সাথে থাকা লোকজনদের ধাওয়া করে। এসি ল্যান্ড পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সেখানে গেলে স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে।

এ সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

“পরে পুলিশ সদস্যরা আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করার জন্য গেলে এলাকার লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।”

এক পর্যায়ে এখানকার কয়েক হাজার মানুষ সালথা থানা, উপজেলা পরিষদের অফিস ঘেরাও করেন। অফিসে ইটপাটকেল ছোড়ে, উপজেলা নির্বাহী অফিসে ঢুকে ভাংচুর করে, দুইটি গাড়িতে আগুন দিয়ে দেয়, সালথা থানার পিছনের দিকে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

এক পর্যায়ে সালথা থানার প্রধান ফটক ভেঙ্গে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে, জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এমন টা বলেছেন পুলিশ সুপার।

এতে জোবায়ের মোল্লা নামে স্থানীয় একজন নিহত হয় এবং রাতেই তার পরিবার তাকে দাফন করেন।”

“এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানাচ্ছে পুলিশ।”

 

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে সোমবার থেকে যে লকডাউন শুরু হয়েছে এর শুরু থেকেই তার বিরোধীতা করছেন ব্যবসায়ীরা।

রবিবার ঢাকার একাধিক স্থানে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ হতে দেখা গেছে। ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও যানবাহন ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে ।

সোমবারও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তবে শেষ পর্যন্ত ফরিদপুরের সালথার এই বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষের ঘটনাটিতে প্রানহানীর ঘটনা ঘটলো।

আরও পড়ুন

লক ডাউনে গরীব ডাউন

মোঃ নুরুজ্জামানঃ সরকার দেশের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে এক সপ্তাহের লক ডাউন ঘোষণা করছে। ৫ ই এপ্রিল থেকে ১২ ই এপ্রিল পর্যন্ত উক্ত লক ডাউন চলবে। এরই মধ্যে লক ডাউন উঠিয়ে নিতে ঢাকার ইসলামপুর ব্যবসায়ীসহ দেশের বেশ কিছু স্থানে বিক্ষোভের খবর পাওয়া যাচ্ছে বলে সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে। আমি যতদূর জানি সরকার জনগণের ভালোর জন্যেই করেন।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু। উনার নেতৃত্বে দেশ ভালোই চলছিল। এখনো চলছে৷ আশা করবো আগামীতেও চলবে। তবে মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লক ডাউন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে কেউ কেউ বলেছেন লক ডাউনে যদি সব কিছু বন্ধ থাকে ভালো। কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে কোন প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে এটা আসলেই কতটা যুক্তি যুক্ত। এমন হলে এক ধরনের অস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। সবারই তো পরিবার আছে। যারা নিম্ন আয়ের মানুষ তাদের কথা অবশ্যই সরকারকে চিন্তা করতে হবে। এসি রুমে বসে অনেক কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়! আর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেই সিদ্ধান্ত খেটে খাওয়া মানুষের জন্যে অমঙ্গল বলে মনে হচ্ছে।

এই লক ডাউনের ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে। সাধারন মানুষের অর্থনীতি ডাউন হয়ে যাবে।

এর আগের লক ডাউনে ব্যবসায়ীদের ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। এখনো সেই ক্ষতি কাঠিয়ে উঠতে পারিনি দেশের ব্যবসায়ীরা। সামনে রমজান মাস মানুষের আয় কম হলেও ব্যয় বেশি হয়। এখন লক ডাউন দেওয়া মানে গরীবের পেটে লাথি মারা।

লক ডাউন ছাড়া স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিকল্প কোন পথের ব্যবস্থা চিন্তা ভাবনা করতে হবে সরকারকে। অনেক ছোট ব্যবসায়ী আছে তারা দৈনিক যে পরিমান আয় করে সেই পরিমাণ ব্যয় করতে হয় পরিবারের জন্যে। আবার অনেক সময়ে এনজিও থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করা লাগে, তাদের কি হবে? অথচ লক ডাউনে এনজিওর কিস্তি বন্ধ হয়নি।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যাচ্ছে, সুদখোর, ঘুষখোর, হারাম খোর, এরাই লক ডাউনের পক্ষে, কারণ এদের মরে যাওয়ার ভয় বেশি। মরলেই তো জাহান্নামে চলে যাবে। এই জন্যে যে কয়দিন দুনিয়ায় থাকা যায় সেই ব্যবস্থা করছে । যারা খেটে খাওয়া মানুষ তাদের করোনা ভাইরাস তুলনা মুলক আক্রান্তের সংখ্যা কম হচ্ছে, আশা করবো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা খেটে খাওয়া গরীবদের জন্যে বিকল্প কিছু করবেন। কারণ এই দেশে তুলনা মুলক গরীব বেশি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে লক ডাউন চাইনা, বিকল্প পথ চাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। লক ডাউনে গরীব ডাউন হয়ে যাচ্ছে। দেশের সরকারের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ভালো আছেন। মাস শেষে বেতন তুলছেন, কিন্তু আমাদের মত খেটে খাওয়া, বা ছোট ব্যবসা করা লোকজনদের মহা সমস্যা।

প্লিজ প্লিজ প্লিজ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনি লক ডাউন উঠিয়ে দেন। আমাদের আর মারবেন না। আমরা করেনায় মরতে চাই, না খেয়ে মরতে চাইনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *