রাত ১:৩৫ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

শ্যামনগরে নদীতে সিমেন্ট বোঝাই কার্গো ডুবি

ফাইল ছবি

Spread the love

নীলাকাশ বার্তাঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার খোলপেটুয়া নদীতে ২ হাজার ৫শ বস্তা সিমেন্ট বোঝাই একটি কার্গো জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে, এই ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে।

রবিবার রাত ৯টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে নওয়াবেঁকী খেয়াঘাট সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীতে এই কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

নওয়াবেঁকী হাট- বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেছেন, মোংলা থেকে সিমেন্ট বোঝাই করে কার্গোটি নওয়াবেঁকী খেয়াঘাটে পৌঁছানোর পরেই ঝড়ের কবলে পড়ে। এতে ১২ লক্ষাধিক টাকার সিমেন্ট পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া লঞ্চের ভিতর থেকে সর্বশেষ লাশ উদ্ধারে সংখ্যা

নীলাকাশ বার্তাঃ নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি ১৮ ঘণ্টা পর টেনে তোলার পর উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। লঞ্চটির ভেতর থেকে ২১টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে এই লঞ্চডুবিতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে।

সংবাদ মাধ্যমগুলতে সরাসরি প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, “মাঝ নদী থেকে সাবিত আল হাসান নামে লঞ্চটি টেনে পারের দিকে নিয়ে আসা হয়েছে।

এ সময় আশে পাশে ভিড় করে স্থানীয় লোকজন। উদ্ধার কর্মীদের পাশা পাশি লঞ্চটি তোলার পর সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজে নেমে আসে স্থানীয়রা। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, “ক্রেন দিয়ে উল্টো করে ঝোলানো লঞ্চটিতে মানুষের দেহ আটকে রয়েছে।

বিআইডাব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান গোলাম মোঃ সাদেক পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, টেনে তোলার পর লঞ্চটি থেকে ২১টি মরদেহ বের করে আনা হয়। এর আগে আরো ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানান। লঞ্চটির ভেতরে আর কোন মরদেহ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে উল্লেখ করে উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

 

 

 

সাবিত আল হাসান নামে এই ছোট লঞ্চটি রবিবার নারায়ণগঞ্জের কাছে শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি মালবাহী জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যায়। সাদেক বলছেন, মালবাহী জাহাজটিকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

তবে স্থানীয় টেলিভিশনগুলোতে লঞ্চটিকে ধাক্কা দেবার এবং ডুবে যাওয়ার দৃশ্য সম্বলিত একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। এতে দেখা যায় মালবাহি জাহাজটি নদীর মাঝ বরাবর দিয়ে ছোট লঞ্চটিকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে বেশ কিছুটা দূর নিয়ে যায়।

এক পর্যায়ে নদীতে নিমজ্জিত হয় লঞ্চটি। ভিডিওটি নিরপেক্ষ ভাবে আমাদের পক্ষ থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কর্মকর্তারা বলছেন, “লঞ্চটিতে ৪৫ জনের মত যাত্রী ছিল। এর মধ্যে কুড়ি থেকে ত্রিশ জন সাঁতরে নদীর তীরে এসে প্রাণ রক্ষা করেছেন।

মৃতদেহ গুলো উদ্ধারের পর সেগুলো জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে মরদেহ শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে হজস্তান্তর করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

গোলাম মোঃ সাদেক বলেন, “এ ধরণের দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অনেক সময় কয়েক দিন পর মরদেহ ভেসে উঠে। সে ক্ষেত্রে মরদেহ ভেসে থাকতে দেখা গেলে তা প্রশাসনকে জানাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হয়।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারী জানিয়েছিলেন, ভোররাত পর্যন্ত চেষ্টা করেও লঞ্চটিকে অর্ধেকের বেশি তোলা যায়নি। কর্মকর্তারা বলছিলেন, ‘টেকনিক্যাল’ সমস্যার কারণে লঞ্চটিকে কিছুদূর ওঠানোর পর আবার ডুবে যাচ্ছিল।

সকাল থেকে লঞ্চটি আবার টেনে তোলার কাজ শুরু হয়।

শেষ পর্যন্ত দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ও দুরন্তের আঠারো ঘণ্টার চেষ্টায় বেলা সাড়ে বারোটার দিকে লঞ্চটিকে টেনে তোলা হয়। টেলিভিশনে সরাসরি এই উদ্ধার অভিযান দেখা যায়। তুলে আনার সময় একটি ক্রেন থেকে উল্টো করে ঝুলে থাকতে দেখা যাচ্ছিল লঞ্চটিকে।

লঞ্চটিকে উদ্ধার করতে নিয়োগ করা হয়েছিল দমকল, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীকে।

উদ্ধার চলাকালে নদীর দুই তীরে বহু উৎসুক মানুষ জড়ো হয়। এদের অনেকেই ছিলেন নিখোঁজদের স্বজন। তারা হাহাকার করছিলেন।

স্বজনেরা অভিযোগ করছিলেন, উদ্ধার অভিযানে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। তারা এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেলও ছোঁড়ে।

 

শীতলক্ষ্যা নদীতে কয়লাঘাট এলাকায় একটি নির্মাণাধীন সেতুর কাছে লঞ্চটি ডুবে যায়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *