রাত ১:৫৪ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

হোটেল বুকিংয়ে নাম লেখানো তাইয়্যেবা’র আসল পরিচয় মিলেছে

Spread the love

নীলাকাশ বার্তাঃ আলোচিত- সমালোচিত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টের কক্ষ ভাড়ার সময় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক রেজিস্টারে নিজের নাম- ঠিকানা সঠিক লিখলেও তার সঙ্গীনির নাম লুকিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

মামুনুল হকের কথিত সেই দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা হলেও মামুনুল রিসোর্টের নথিতে তার নাম উল্লেখ করেছেন আমেনা তাইয়্যেবা বলে।

গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবর সূত্রে জানা গেছে আমেনা তাইয়্যেবা মামুনুল হকের প্রথম স্ত্রীর নাম। তিনি চার সন্তানের জননী।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আমরা শুনতে পেরেছি তার (মামুনুল) আসল স্ত্রীর নাম আমেনা তাইয়্যেবা। বিষয়টির তদন্ত করছি।

শনিবার (০৩ এপ্রিল) বেলা দুই টার দিকে সাদা রঙের একটি গাড়ি নিজেই চালিয়ে রিসোর্টটিতে যান মামুনুল। ভাড়া করেন এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স (সেমি সুইট) কক্ষ। এই কক্ষগুলোর ভাড়া এমনিতে ১০ হাজার টাকা। সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আর ১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়। তবে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ ডিসকাউন্ট করে মামুনুল হককে সাত হাজার টাকায় ভাড়া দেয় বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বলেছেন।

রিসোর্টের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ বকুল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন “অভ্যর্থনার কর্মীরা মামুনুলের কাছে তার সঙ্গীনির পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেছেন তার স্ত্রী, নাম আমেনা তাইয়্যেবা”। মামুনুল কক্ষ ভাড়া করার সময় নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও জমা দেন।” হেফাজত নেতা ১২ ঘণ্টার জন্য ভাড়া করে যান ৫০১ নম্বর কক্ষটি। সেখানে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর মামুনুল খাবারের অর্ডার করেন। এরপর সাড়ে পাঁচটার দিকে শুরু হয় ঝামেলা।

স্থানীয় যুবকরা মামুনুলকে ঘিরে ঘরে যখন একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকেন তখন তিনি ওই নারীর পরিচয় দেন আমেনা তাইয়্যেবা”। বলেন তার শ্বশুরবাড়ি খুলনায়, শ্বশুরের নাম জাহিদুল ইসলাম। তবে তার এই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে সেই মেয়ের বক্তব্যে। তিনি নিজের নাম বলেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। বাবার নাম লেখেন ওলিয়র রহমান।” বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়।”

উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে রাজধানীর অদূরে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুল হক একজন নারীসহ অবস্থান করছেন এমন খবর পেয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁর কক্ষটি ঘেরাও করেন। যদিও মামুনুল হক সঙ্গে থাকা নারীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হেফাজতের একদল নেতা- কর্মী, মাদ্রাসা ছাত্র মিছিল নিয়ে এসে মামুনুলকে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন

প্রবল বর্ষণে আকস্মিক বন্যা, অর্ধ শতাধিক নিহত

নীলাকাশ বার্তাঃ ইন্দোনেশিয়া এবং পূর্ব তিমুরে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অর্ধ শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

টানা ভারী বর্ষণ এবং এর ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে রবিবার ওই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। খবর আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বিবিসি ও এএফপির।

 

এই ঘটনায় প্রচণ্ড বৃষ্টিতে নদীর তীর এবং বিভিন্ন এলাকার বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি বিস্তীর্ণ এলাকার ঘরবাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। ইন্দোনেশিয়ার পার্শ্ববর্তী দেশ পূর্ব তিমুরেও এ বন্যা দেখা দিয়েছে বলে বলা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাদিত্য জ্যোতি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, বন্যা ও ভূমিধসে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে । উদ্ধার কর্মীরা এ পর্যন্ত ৪১ জনকে উদ্ধার করেছেন। বন্যায় ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ৯ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছেন।

অপর দিকে পূর্ব তিমুরে বন্যায় ১১ জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেখানেও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন

বাস থামিয়ে যাত্রী পেটাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

নীলাকাশ বার্তাঃ বিক্ষোভ কারীদের নয়, এবার বাস থেকে নামিয়ে সাধারণ মানুষকে অত্যাচার শুরু করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর লোকজন। শুক্রবার দেশটির ইয়াঙ্গুনের ওক্কালাপা শহরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা সাংবাদিকদের বলেছেন, জান্তারা বাস থামিয়ে বলপূর্বক টেনে হিঁচড়ে যাত্রীদের নামিয়ে লাঠি দিয়ে অমানবিক ভাবে আঘাত করেছে এবং প্রবল ভাবে লাথির পর লাথি মেরেছে। এই খবর দিয়েছে ইরাবতী নামে একটি সংবাদ মাধ্যম।

উত্তর ওক্কালাপা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থুধামায় চলতে থাকা ইয়াঙ্গন বাস সার্ভিসের গাড়িগুলোকে সিগন্যাল দিয়ে রাস্তার পাশে থামাতে দেখা গেছে । এরপর সেনা সদস্যরা বাসের ভেতরে ঢুকে যাত্রীদের ধরে ধরে জোর পূর্বক টেনে হিজড়ে নিচে নামায়।

ওদেরকে ‘নিল ডাউন’ করতে বলা হয়, শুরু হয় অত্যাচার। শুধু যাত্রীদের পিটিয়েই ওরা ক্ষান্ত হচ্ছে না, বাসের চালকসহ অন্য কর্মীদেরও তারা এই অত্যাচার নির্যাতন থেকে রেহাই দিচ্ছে না।

এ ঘটনার পর থেকে খবর পেয়ে ওই বাসগুলো গন্তব্যে যেতে অন্য রাস্তা ব্যবহার করতে শুরু করে। চালকদের রুট পরিবর্তনের খবর পেয়ে সেনা সদস্যরা আবাসিক ওয়ার্ড গুলোতে চিৎকার করতে করতে গুলি চালাতে থাকে।

এ সময় এলাকায় কী ঘটছে, তা দেখতে ঘর থেকে বের হয়েই বিপদে পড়েছেন ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। এদের ধরতেই সেনা সদস্যরা সংশ্লিষ্টদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে।

বাসে থাকা আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “সেনারা প্রথমে বাস চালককে লাথি মেরে ফেলে দেয়। এরপর পুরুষ যাত্রীদের লাথি দিতে থাকে আর বলে- যুদ্ধ কর আমার সঙ্গে। মহিলা যাত্রীদের চুল ধরে টানাটানি করে এবং গালে থাপ্পড় মারতে থাকে।”

“শনিবার পর্যন্ত জান্তা বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ২০ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য ইরাবতী। ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া অভ্যুত্থান বিরোধী আন্দোলনে এ পর্যন্ত ৫৫৬ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে তারা।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *