রাত ১:৫৯ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

লকডাউন ও আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকটের আশঙ্খা

Spread the love

আব্দুল হান্নান, বিশেষ প্রতিনিধি, আবারো লকডাউন নড়েচড়ে বসেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। লক ডাউনের খবর শুনেই পন্য গুদামজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে এসকল অসাধু ব্যবাসায়ী।

এসকল অসাধূ ব্যবসায়ীর বদ্ধমূল ধারনা লক ডাউনের মেয়াদ আরো বাড়তে পারে এবং তারসাথে যোগ হয়েছে আসন্ন পবিত্র রমজান মাস। এমনিতেই রমজান মাসের শুরুতে ব্যবসায়ীরা পন্য গুদামজাত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বৃদ্ধি করে থাকে এরইসাথে লকডাউনের কড়াকড়িতে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামালের দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের স্বাভাবিক জীবনকে দূর্বিষহ করে তুলতে পারে।

অনেক ব্যবসায়ী ইতিমধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি গুমাতজাত করে ক্রেতাদের ঐসকল পন্য নাই বলে ফিরিয়ে দিচ্ছে। এদিকে আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষনার পর থেকে উপজেলার সকল বাজারে ক্রেতাদের কেনাকাটা বেড়ে গেছে।

লকডাউন শুরু হলে সবকিছু বন্ধ হয়ে যাবে এই আশঙ্খা সকলের মাঝে। স্থানীয় প্রশাসন আশ্বস্থ করলেও ক্রেতাদের মধ্যে বিরাজ করছে এক ধরনের অস্থিরতা। এই সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা সংকট তৈরি করে বাজার ব্যবস্থা অস্থিতিশীল করতে পারে বলে ধারনা সূধীজনের।

এ বিষয়ে শ্যামনগরের বিশিষ্ট সমাজসেবক মনিরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করে অসাধূ ব্যবসায়ীদের আইনগত ব্যবস্থা নিলে বাজারে কৃত্রিম সংকট ও দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি হবে না” তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের আহবান জানান।
লকডাউন এবং আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধূ ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট ও দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়াতে না পারে সেজন্য প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করে বাজার ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখুক এটাই আশা করে ভোক্তাসাধারণ।

আরও পড়ুন

দ্বিতীয় বিয়ের রহস্য ফাঁস করলেন মামুনুল হক নিজেই

নীলাকাশ বার্তাঃ শনিবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে থাকা ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে ছাড়া ছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর তাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন হেফাজত কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হক।

শনিবার রাত ১০টার পর ফেসবুক লাইভে এসে মামুনুল হক দাবি করেন, “ওই নারীর আগের স্বামী তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।” স্বামীর সঙ্গে ছাড়া ছাড়ি হয়ে যাওয়ার অনেক দিন পর তিনি তাকে বিয়ে করেছেন।”

“এ সময় মামুনুল হকের সঙ্গে ছিলেন তার বড় ভাই হাফেজ মাহমুদ, হাফেজ মাহবুব ও মাওলানা মাহফুজুল হক।”

“ফেসবুকে লাইভে দেওয়া বক্তব্যে মামুনুল হক বলেছেন, “টানা পরিশ্রমের কারণে আমার একটু বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল”। “এ কারণে সেখানে গিয়েছিলাম। “সঙ্গে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী ছিল। পুলিশ আমার থেকে যাবতীয় তথ্য নিয়ে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার দ্বিতীয় স্ত্রী আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাবেক স্ত্রী ছিলেন। তাদের দুটি সন্তানও আছে। এরপর পারিবারিক ভাবে আমি তাকে বিয়ে করি।”

“এর আগে শনিবার সন্ধ্যার পর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রয়েল রিসোর্টে অবরুদ্ধ হন মাওলানা মামুনুল হক। তার অবরুদ্ধ থাকার সংবাদ শুনে কয়েকশ মানুষ রিসোর্টটির সামনে এসে জড়ো হয়।” এ সময় তারা স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে”। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।”

আরও পড়ুন

কালো বোরকা ঘণ্টার মধ্যে নীল হয়ে গেলো!

নীলাকাশ বার্তাঃ হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হক টপ অব দ্যা কান্ট্রিতে পরিনত হয়েছে। ইতিমধ্যে তার একটি ঘটনা ফেসবুকে ব্যাপক আকারে ভাইরাল হয়ে ঘুরছে। যতটুকু জেনেছি বা শুনেছি সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাধে, হেফাজত নেতা মাহমুনুল হক নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে থাকা অবস্থায় যুবলীগ এর কয়েকজন গিয়ে এক মহিলা সহ অবরুদ্ধ করে এর পর পুলিশ প্রশাসন আসে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, হোটেলের ভিতর গিয়ে এভাবে আটক করা কি যুবলীগের দায়িত্ব ? যদিও অপরাধী ই হয় পুলিশকে খবর দিলোনা কেন? নাকি ঐ এলাকার যুবলীগ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ পেয়েছে?

সূত্রে জানা যায়, প্রথমে যখন হোটেলে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ যায় তখন একটা লাইভ চলে সেই টাতে দেখা যায় মামুনুল হকের সাথের নারী কালো বুরকা পরা চোখে চশমা। এর পর থেকে শুরু হয়েছে একের পর এক ভিডিও অডিও ফাঁস।

মামুনুল হকের সাথের নারী স্ত্রী নাকি অন্য কেউ সেইটা সেই প্রশ্নের চেয়ে, বড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় হোটেল কক্ষের সামনে ঐ নারী ও মামুনুল হক নারীর পরনে কালো বোরকা নেকাব করা চোখে চশমা।

এর মধ্যখানে কিভাবে একজন নারী নীল কালারের বোরকা পরা ভিডিওতে কথা বলছেন নেকাব ছাড়া চোখে চশমা নাই ছবি। সেইম ভাবে ছবিটাও কিভাবে হয় মামুনুল হকের সাথে থাকা ঐ নারীর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, বলেছেন ভাববার বিষয় সাথে কয়টা বোরকা ছিল?

ভিডিওটা দেখলাম একজন সাদা পোশাকধারী নারী ইন্টারভিউ নিচ্ছেন যদি সত্যি ও হয়ে থাকে এবং ঐ নারী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ হয়ে থাকেন তাহলে কি এই ফুটেজ ভাইরাল করার কোন আইন আছে ? আরেকজন বলেছেন, “তবে আমি পুরোপুরি সন্ধিহান কারন বোরকার দুই রং দেখে মেনে নিলাম নীল কালারের বোরকা বদলেছেন তাহলে এই পরিস্থিতিতে বাহির হবার সময় আবার কালো বোরকা বদলানোর মত সময় বা মন মানসিকতা কি থাকতে পারে?

তবে আসল ঘটনা যাচাই বাছাই করে প্রকৃত অপরাধীকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হোক এটাই সকলের চাওয়া। তদন্তে যদি উনাকে অপরাধী না বলা হয়, সেক্ষেত্রে ওখানেই যারা তাকে অপমান করেছেন তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *