রাত ১২:৩৮ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

শ্যামনগরে নদীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে হরিলুটের খবরে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব!

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্টঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের নৈকাটি সিমান্ত নদী কালিন্দীর ওয়াবদার বেড়িবাঁধে স্লোব প্রোটেকশনে বস্তুা প্লেসিং এর কাজে হরিলুটের অভিযোগ তুলেছিল সংশ্লিষ্ট এলাকা বাসি। এই নিয়ে সাপ্তাহিক সূর্যের আলো পত্রিকা সহ বেশ কিছু পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এর পর থেকে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে বেশ কিছু দিন ধরে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভারত বাংলাদেশ সিমান্ত নদী কালিন্দীর বাংলাদেশ পাড়ের ওয়াবদার বেড়িবাঁধে স্লোব প্রোটেকশনে বস্তুা প্লেসিং যা দেওয়া হয়েছিল তা নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে।

সামনে বর্ষাকালের চিন্তায় ঘুম হারাম এলাকার মানুষের। দায়সারা কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। দেখার কেউ নেই। এলাকায় গেলে অনেকেই এগিয়ে আসেন এই প্রতিবেদকের সামনে। বলেছেন বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করেসংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ হরিলুট করেছে। এলাকাবাসি ভয়ে তাদের দূর্নীতি অপকর্মের বিষয়ে মুখ খুলতে চাই না। তাদের নিরাপত্তার অভয় দিলে কেউ কেউ মুখ খুলবেন বলে জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন করলেও কতিপয় কিছু ব্যক্তির কারনে সরকারের বদনাম হচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকা বাসি জানান, যে পরিমান এখানে সরকারি বাজেট আসে সেই পরিমাণ কাজ হয়না। এলাকাবাসি বলেন, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের লোকজন একে-অপরের সহযোগিতায় দায়সারা কাজ করছেন।জানা গেছে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে কাজ শুরু হয়। মার্চ মাসের শুরুর দিকে কাজ শেষ করা হয়েছে। কিন্তু চলতি মার্চ মাস শেষ হওয়ার আগেও সেই স্থানে ধংস নেমেছে। কি কারনে ধংস নেমেছে সেই প্রশ্নের উত্তর থাকলেও বিশেষ কারণে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। বলা হচ্ছে শুরু থেকে অনিয়ম বা হরিলুটের অভিযোগ উঠলেও অদৃশ্য কারনে নিরব দর্শকের ভুমিকায় চুপচাপ ছিলো সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের লোকজন।

সীমান্ত নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে এই ইউনিয়নের একটি বড় অংশ তলিয়ে যাবে। এলাকাবাসি বলেছেন, তাদেরকে কাজের শুরুতে বলা হয়েছে, নৈকাটি এলাকায় ৮০ মিটার স্লোব প্রোটেকশনের জন্যে ডাম্পিং সহ বস্তুা প্লে সিং এর কার্যাদেশ অনুযায়ী ৮৭০০ বস্তুা দেওয়া হবে। তবে ২০০০ থেকে ২৫০০ বস্তুা কম দিয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করেন। নিচের ঘাট পর্যন্ত বস্তুা দেওয়া হয়নি। যেকারণে উক্ত ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছেন। সেই সাথে ওই বস্তুাগুলোতে যে পরিমান বালু দেওয়ার কথা সেই পরিমাণ বালুও কম দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা এই প্রতিবেদকে জানিয়েছেন।

এই বিষয় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উর্ধতন কর্মকর্তাসহ দূর্নীতি দমন কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামানা করেছেন এলাকা বাসি। অনিয়মের বিষয়টি সুষ্ঠ স্বাভাবিক তদন্ত করে দেখে জড়িতদের কঠিন শাস্তির মুখোমুখি দেখতে চাই সাধারণ মানুষ। এলাকা বাসি প্রশ্ন তুলেছেন, সাংবাদিকরা আর কত লেখলে ঘুম ভাঙ্গবে কতৃপক্ষের! তবে এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৫ নং পোল্ডারে কর্মকর্তা এসও তন্ময় হালদার দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *