রাত ৮:৩৫ । ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ । ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ২২শে রজব, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : https://www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

মধু ব্যবহারে ত্বকে আসবে সতেজ ভাব

 

নীলাকাশ বার্তাঃ “প্রাচীনকাল থেকেই মধু বেশ জনপ্রিয়। পৃথিবীজুড়েই মধুর ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে আয়ুর্বেদমতে, যেকোনো একটি ফুলের মধুর চেয়ে বিভিন্ন ফুলের মধুর সমন্বয় বেশি কার্যকর। কারণ, তাতে উপকার পাওয়া যায় নানা ফুলের নানা উপকরণ থেকে। শতফুলি মধু (নিদেনপক্ষে ১০০টি ফুলের মধুর সমন্বয়) যেমন রূপচর্চার জন্য অতুলনীয়, তেমনি পুষ্টিগুণেও অনন্য।

ভেতর থেকে ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলতে প্রতিদিন মধু খাওয়া যেতে পারে। ১ গ্লাস গরম দুধে ২ চা-চামচ মধু আর ৩-৪ টি জাফরান গুলে খেয়ে নিন। এতে ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল, তিন মাসের মধ্যে। এ ছাড়া ১ চা-চামচ মধুর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিন সমপরিমাণ। কোনো পানি না মিশিয়ে খেয়ে নিন এই মিশ্রণ, রোজ সকালে, অবশ্যই ভরপেট নাশতার পর। এটিও উপকারী। তবে প্রথমটিই বেশি কার্যকর বলে জানালেন হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ক্লিনিকের আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমী।”

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে
ত্বক তৈলাক্ত হলেই যে তা আর্দ্র হবে, এমনটা কিন্তু নয়। তৈলাক্ত ত্বকও আর্দ্রতার অভাবে নিষ্প্রাণ হয়ে পড়তে পারে। তৈলাক্ত ত্বকে তুলসী পাতা আর মধু প্রয়োগ করতে পারেন। ১ কাপ তুলসী পাতা নিন। তা থেকে রস বের করুন। মোটামুটি ১ টেবিল চামচ পরিমাণ রস হবে। রস ছেঁকে নিন।

রস ছেঁকে নিয়ে পাতার বাকি অংশটুকু ফেলে দেবেন না। তুলার সাহায্যে রসটুকু মুখে লাগিয়ে নিন টোনারের মতো। ৫-৭ মিনিট পর রস শুকিয়ে এলে এবার পাতার সেই বাকি অংশের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন ১ চা-চামচ পরিমাণ। এই মিশ্রণই হয়ে গেল একটি ফেসপ্যাক। ফেসপ্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন এভাবে মধু দিয়ে রূপচর্চা করতে পারেন। তবে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি হলে সপ্তাহে ২-৩ দিনও ব্যবহার করতে পারেন।”

মিশ্র ত্বকের জন্য

ত্বক মিশ্র প্রকৃতির হলে একেক মৌসুমে একেক রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। তবে সঠিক নিয়মে ভালো মানের মধু ত্বকে প্রয়োগ করলে তা স্বাভাবিক ত্বকের মতোই স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠতে পারে। মিশ্র ত্বকের জন্য দুইভাবে কাজে লাগাতে পারেন মধু। সপ্তাহে ১ দিন করে ব্যবহার করতে পারেন নিচের যেকোনো একটি উপায়ে। ১ কাপ পুদিনা পাতা (ডাল নয়) ধুয়ে চটকে নিন।

এই রস তুলার সাহায্যে মুখের ত্বকে লাগিয়ে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ১ চা-চামচ মধুর সঙ্গে আধা চা-চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি তুলার সাহায্যে একইভাবে মুখে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। পুদিনা পাতা নিন ১ টেবিল চামচ। পাতা পিষে নিয়ে এর সঙ্গে মেশান ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি এবং ১ চা-চামচ মধু। কোনো পানি মেশাবেন না। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

শুষ্ক ত্বকেও চাই

শুষ্ক ত্বকেও ২টি আলাদা পদ্ধতিতে মধু প্রয়োগ করতে পারেন। চন্দনগুঁড়া নিন ১ চা-চামচ। গরুর দুধ গরম করে এর সঙ্গে মিশিয়ে নিন। চন্দন ভালোভাবে মিশে যেতে যে পরিমাণ দুধের প্রয়োজন হবে, ততটাই নিন। চন্দন ভালোভাবে মিশে যাওয়ার পর এই মিশ্রণে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিন। এরপর ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে ২ দিন এভাবে ব্যবহার করতে পারেন মধুর প্যাক। চাইলে চন্দনগুঁড়ার পরিবর্তে সামান্য একটু চন্দন কাঠ দিয়েও একই নিয়মে প্যাকটি তৈরি করতে পারেন।

এ ক্ষেত্রে দুধে চন্দন ভিজিয়ে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। এরপর শিল–পাটায় ঘষে নিতে হবে। এই প্যাক ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে, কালচে ছোপ দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না। কাঁচা হলুদের রস ভালোভাবে জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। রস ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার ১ চা-চামচ রস নিয়ে এর সঙ্গে মিশিয়ে নিন ১টি ডিমের কুসুম ও আধা চা-চামচ মধু। মিশ্রণটি সপ্তাহে ১ বার মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিটের জন্য। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হলে, ঠোঁটের আশপাশের বা নাকের চামড়া শুষ্ক হলে সপ্তাহে ২-৩ দিন প্রয়োগ করতে পারেন। ভালোভাবে জ্বাল দেওয়া হলুদের রস ঠান্ডা করে কাচের মুখবন্ধ বয়ামে পুরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন দিন পনেরোর জন্য। ত্বককে আর্দ্র রাখতে এই প্যাক দারুণ কার্যকর।

আরও পড়ুন

উপহার হোক নবদম্পতির পছন্দে

নীলাকাশ বার্তাঃ

বিয়ের উপহার নেওয়া বা দেওয়া, উভয়ই বেশ ঝক্কির ব্যাপার। কনে ও বরকে কী উপহার দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাও কঠিন বৈকি; এমনকি তাঁদের ভালোভাবে জানা সত্ত্বেও। অথচ বিয়ের মৌসুমে এমন সিদ্ধান্ত আমাদের প্রতিনিয়ত নিতেই হয়। আবার বিয়েতে পাঁচজন অতিথির কাছ থেকে একই ধরনের উপহারপ্রাপ্তি হতাশারাও সৃষ্টি করে।

উপহার হোক নবদম্পতির পছন্দে

এই উদ্বেগ কমিয়ে বিবাহের মৌসুমকে উপভোগ্য করতে, আকর্ষণীয় অফার নিয়ে হাজির দেশের শীর্ষ সারির ফার্নিচার ব্র্যান্ড ইশো। ইশোর ওয়েডিং কার্নিভ্যালে রয়েছে দারুণ তিনটি অফার; আর তা সদ্য বিবাহিত দম্পতি এবং বিয়েতে আমন্ত্রিত অতিথিদের উপহার দেওয়া আর নেওয়ার সমস্যায় হবে মুশকিল আসান। নবদম্পতিরা তাঁদের নতুন বাসার জন্য ঠিক কী চান, সেটা যেমন বেছে নেওয়া যাবে, তেমনি অতিথিরাও নতুন জীবন শুরু করতে যাওয়া দম্পতির জন্য তাঁদের পছন্দসই উপহারটা দিয়ে তৃপ্তি লাভ করতে পারবেন।

গিফট কার্ড

ইশোর ওয়েডিং গিফট কার্ডের সাহায্যে প্রিয়জনকে দেওয়া যাবে সেরা উপহার; যেটা তাঁরা যেকোনো সময়ে কিনে নিতে পারবে ইশোর যেকোনো আউটলেট থেকে। এ ক্ষেত্রে যেকোনো ইশো আউটলেটে এসে যে পরিমাণ টাকার উপহার দিতে চান, সেটা ইশোর উপহার কার্ডে যোগ করে নিয়ে সেটা উপহার হিসেবে দিয়ে দেওয়া যাবে। এরপর যখন সময় হবে নবদম্পতিরা তাঁদের পছন্দসই পণ্যগুলো ইশোর আউটলেট থেকে ওই কার্ড দিয়ে কিনে নিতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


7