রাত ১:৩২ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

অনলাইন বান্ধবীকে কোটির বেশি টাকা ধার দিয়ে বাংলাদেশী যুবকের আত্মহত্যা

Spread the love

আন্তর্জাতিক বার্তাঃ “শেয়ারিং অ্যাপ লাইকিতে পরিচয় হয়েছে। সেই সূত্রে একটা সময় গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক।” সেই সুবাদে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ধার দেন মোজাম্বিক প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক মিজানুর রহমান নীল (২৪) নামে এক যুবক।

“সেই টাকা আদায় করতে না পেরে অবশেষে লাইক এ্যাপের লাইভে এসে তিনি আত্মহত্যা করেন।”

“১০ মার্চ বেলা ১১টায় দেশটির তেতে নামক একটি প্রদেশে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিজানুর”। তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব কাহারঘোনার হাজি সিদ্দীক আহাম্মেদের পুত্র বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মিজানুরের বড়ভাই প্রবাসী মোঃ ওমর কাজী বলেছেন, “লাইকি সূত্রে চট্টগ্রাম হালিশহর এলাকার কলেজ ছাত্রী ফৌজিয়া আনোয়ারের (২২) সঙ্গে মিজানুরের সম্পর্ক হয়।” “এরপর পতেঙ্গার পার্লার ব্যবসায়ী ঐশী মির্জার (২১) সঙ্গেও অনলাইনে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।” বিকাশ ও ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ফৌজিয়া ও ঐশীকে টাকা ধার দেয় মিজান”। ফেরত চাইলে তাদের সম্পর্কে ভাটা পড়ে।” “এ ঘটনায় ঐশীকে লাইকিতে লাইভে রেখে কীটনাশক (ইঁদুর মারার বিষ) খায় মিজান। “হাসপাতালে নেয়ার ১০ মিনিটের মাথায় তার মৃত্যু হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চার ভাই মোজাম্বিকের বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা করি”। “২০১৪ সালে আমাদের সবার ছোট-ভাই মিজানকে এখানে নিয়ে আসি।” এরপর থেকে ব্যবসার হিসাবসহ টাকা -পয়সা তার কাছে ছিল”। “আমরা সবাই খুব আদর করতাম তাকে।” আমাদের ধারণা ছিল না সে এমন একটা কাজ করবে। টাকা গেছে সেটা বিষয় নয়। “আত্মহত্যা করাটা ঠিক হয়নি।”

ওমর কাজী বলেন, “কত টাকা লেনদেন হয়েছে কিংবা কোন মাধ্যমে গেছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মোজাম্বিক পুলিশের সহযোগিতা নেয়া হবে”। আমরা প্রাথমিক হিসাবে ধারণা করছি, প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা মিজানুরের হিসাবে গরমিল পাচ্ছি। “মূল প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে বাংলাদেশ ও মোজাম্বিক থেকে পুলিশ কাজ করছে।” মিজানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।”

“এ বিষয়ে ঐশী মির্জার মোবাইলে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ ধরেননি।”

“এদিকে “ফৌজিয়া আনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেন তিনি”। পরে এ বিষয়ে কিছু বলতে হলে ‘আদালতে বলবেন’ বলে জানান।”

আরও পড়ুন
শ্যামনগরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের করুন মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টারঃ “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ অধ্যাপক রাশিদ মাহমুদ বুধবার সন্ধ্যায় হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যু কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকের বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। গবেষণার কাজে তিনি দীর্ঘ দেড় মাস শ্যামনগরে অবস্থান করছিলেন।

শ্যামনগরের ভুরুলিয়া ইউনিয়নের চালিতাঘাটা গ্রামে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তিনি গবেষণার কাজ করতেন।

সদ্যপ্রয়াত এ শিক্ষকের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন তার ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নিসর্গ নিলয়।

সন্ধ্যায় একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করার জন্য অধ্যাপক রাশিদ মাহমুদ নিসর্গ নিলয়কে তার রুমে রেখে অন্য একটি রুমে চলে যান।

এসময় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ফ্লোরে পড়ে জ্ঞান হারান ।পরবর্তীতে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে ইমারজেন্সিতে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক রাশিদ মাহমুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র বলে জানা গেছে। পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় জড়িয়ে পড়েন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন শিক্ষকতা করার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন। গবেষণার কাজের জন্য সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বেশ কিছুদিন ধরে অবস্থান করছিলেন।

করোনার কারণে কিছুটা দেরিতে এ বছরের জানুয়ারিতে গবেষণার স্থান নির্বাচন করতে এসেছিলেন তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগরে।

সেই রাশীদ স্যার আজ শ্যামনগরে গবেষণারত অবস্থায় ল্যাপটপ নিয়ে ফ্লোরে পড়ে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী-দুটি শিশু সন্তান অসংখ্য গুনগ্রাহী এবং ছাত্র ছাত্রী রেখে গিয়েছেন। তিনি কমিউনিটি ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বিষয় নিয়ে গবেষণারত ছিলেন।শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঐ শিক্ষকের মরদেহ গ্রহণ করেন তার ভায়রা যশোরের ব্যবসায়ী আতাউর রহমান হতভাগ্য ঐ শিক্ষকের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর ফেনীতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার কারণে তিনি স্বপরিবারে ঢাকায় অবস্থান করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *