রাত ১:১২ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

গ্রামের বন্ধু শহরের অফিসার-মোঃ নুরুজ্জামান

Spread the love

সম্পাদক, নীলাকাশ বার্তা – ছোট গল্পঃ অনেক দিন আগের কথা, দুই বন্ধু এক সাথে লেখাপড়া না করলেও এক সাথে খেলাধুলা করতো। শরৎ কালে পড়ন্ত বিকেলে রাস্তার পাসে বসে দুই বন্ধু কোলকাতার শহরের দিকে মুখ ফিরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আকাশ ছুয়ে ভেসে যাওয়া মেঘের কারিশমা দেখতো।

মেঘের উপর তীগ্নদৃষ্টি দিলে মনে হতো হরিণ, বাঘ, কুমির, হাতি, ঘোড়া, গরু, মোরগ, মুরগী, পাখি, উড়ো জাহাজ, ইত্যাদি। সেই সময়ে মনের ভিতরে খুব ভালো লাগতো। এখনও সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ে একজনের। থাক সে কথা, এক বন্ধু উপজেলা শহর থেকে লেখাপড়া শেষ করে বিভাগীয় শহরের নাম করা কলেজ শেষ করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখা পড়া শেষ করে সরকারের প্রথম সারির একজন কর্মকর্তা হয়ে দেশের জনগণের সেবা করে যাচ্ছে। সবার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ উনাকে উনি লেখাপড়া করে আজ সবার সুনাম অর্জন করেছেন।,

বলে রাখা ভালো ছোট এই গল্পটি কল্পনায় লেখা, তবে আমার সাথে এই গল্পের কোন সংশ্লিষ্টতা আছে বলে মনে করিনা। যদি কেউ মনে করে সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার।

যাই হোক চলুন গল্প শুরু করা যাক, এর আগে শহরের বন্ধুকে গ্রামের বন্ধুটি নিয়মিত খোঁজ খবর নিতেন৷ ফোনের যুগ শহরের বন্ধু তখন চাকরি পায়নি বলে গ্রামের গরীব বন্ধু মোবাইল ফোন কেটে নিজেই মোবাইলে কল ব্যাক দিয়ে করতেন, তাতে কিছু মনে করতেন না।

এক দিন তার বন্ধু অনেক বড় হবে এতে আর কিছু না হলেও মানুষিক ভাবে ভালো থাকা হবে সেই ভাবনা তার মাথায় । সম্প্রতি গ্রামের বন্ধুটি প্রেম করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত কি ভাবে কি করা যায় শহরের বন্ধুর কাছে পরামর্শ চাই নিয়মিত। তিনি সহযোগীতা করবেন এমন আশ্বাসও দিয়েছে।

এরই মধ্যেই শহরের বন্ধু যে শহরে থাকে ওই শহরের প্রেমিকের সাথে বিয়ে হবে বলে গুঞ্জন শুনতে পায় গ্রামের বন্ধু। একটা সময়ে, শহরের বন্ধু গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসলে গ্রামের এই বন্ধু ছিলো এক মাত্র সঙ্গী।

শহরের বন্ধু যখন বাড়ি আসতো তখন গ্রামের বন্ধু স্থানীয় বাজারে নিয়ে তার সাধ্যনুযায়ী বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট বা ময়রার দোকান থেকে নতুন মডেলের মিষ্টি খাওয়াতো, চপ, পেজি, চটপটি, যখন যেটা ভালো লাগতো তখন তাই খাওয়াতো। কিন্তু সেই শহরের বন্ধুর গ্রামের বাড়িতে বিয়ে হবে অথচ ওই বন্ধুর আর মনে নেই!

বাড়িতে আসবে শুনতে পেয়ে গ্রামের সেই বন্ধুটি তার বাড়িতে গিয়ে নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছে বাড়িতে এসেছে কিনা৷ গ্রামের বন্ধু শুনছে শহরের বন্ধু অফিসারের বিয়ে। গ্রামের বন্ধু শহরের বন্ধুর বিয়ের একদিন আগে তার বাড়িতে গেলে শহরের বন্ধু তাকে বলেছে, তুমি কি আগামী কালকে কাজে যাবে বা ব্যাস্ত থাকবে। উত্তরে গ্রামের বন্ধুটি বলছে না। এর পর আর কেউ কাউকে খোঁজ নেয়নি, গ্রামের বন্ধুর আর শহরের বন্ধুর বিয়ে খাওয়া হলো না। গ্রামের সেই বন্ধু শুনছে তার শহরের সেই বন্ধু আগের মত নেই। তিনি বিয়ে করে, শশুর বাড়ি হয়ে শহরে চলে গেছে।

ছোট কালের সেই বন্ধুটি আর খোঁজ নেয়নি বলে অভিমান করে গ্রামের বন্ধুটি মন খারাপ করে আছে। ভাবছে গ্রামের বন্ধু শহরের অফিসার আমার আর কি দরকার। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *