রাত ১:২৬ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

অন্ধ প্রেমের পাঁচ বছর- মোঃ নুরুজ্জামান

Spread the love

মোঃ নুরুজ্জামান, লেখক, সম্পাদক নীলাকাশ বার্তা

যারা লেখক বা গল্পকার তারাই বলতে পারে কোন গল্প সত্যি আর কোন গল্পটা কল্পনায় লেখা। তবে আমি যে গল্পটি লেখবো সেটা বাস্তব সত্যি ঘটনা অবলম্বনে। তবে গল্পের নায়ক বা নায়িকার নাম ভিন্ন আকারে প্রকাশ করা হবে।

এর কারন বাস্তব জীবনের গল্প আর কল্পনার গল্প এক হতে পারে না বা হয়ও না। তাই লেখকের নাম প্রকাশ হলেও গল্পের নায়ক নায়িকার আসল নামের পরিবর্তে ছদ্মনাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

দিনটি এখান থেকে পাঁচ বছর আগের ২০১৬ সালের ২৬ শে মার্চ। সেই দিনে মন খারাপ করে বসে আছে সাগর। সাগর একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। সে একটি টল দোকানের চৌকিতে বসে দুনিয়া নিয়ে ভাবছে। তার ব্যবসার হাল খুব ভালো না৷ সে যে পরিমান আয় করে, তাতে কোন রকমে চলে তার। জীবনে স্কুলে যায়নি।

তবে যথেষ্ট পরিমাণ বোঝে বা আত্মবিশ্বাস বেশি। সব কিছুই এক বারেই বিশ্বাস করে। কথা প্রসঙ্গে একজন তাকে বলেছে, বড় লোকের মেয়ের সাথে প্রেম করলে জীবনে উন্নতি হবে। তবে বড়লোকের মেয়ের সাথে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার মত সাহস তার নেয়। কারণ সাগর একটু লাজুক স্বভাবের। এরপরও লেখা পড়া জানে না। গায়ের রং কালো। দেখতে খুব বেশি ভালো না।

সে কারণেই এর আগে তার কোন মেয়ের সাথে সেভাবে কথা বলা হয়ে উঠেনি। হটাৎ কি মনে করে একটি অচেনা মোবাইল নাম্বারে ফোন দেয় ওই দোকানে বসে। কিন্তু ফোনটি কেউ রিসিভ করেনি। ওই দিন সন্ধ্যায় সেই নাম্বার থেকে একটি কল আসলো। কেটে কল দেওয়ার সাথে সাথে চমকে উঠলো সাগর। ভেসে আসলো মেয়েলি কন্ঠ। সাগরের মনে ঝড় উঠে গেছে।

ফোনে অচেনা মেয়ের সাথে এই প্রথম তার কথা। পরিচয় পর্ব শেষ হলো। কথা চললো কিছু দিন। এরপরে টানা ছয় মাস মেয়েটি তার বাড়ি থেকে লেখাপড়ার উদ্দেশ্য মামার বাসা গেছে। সেখান থেকে ফিরে আসলো বাড়ি। এসেই ফোন দিলো সাগরকে। কিন্তু যখন ওই মেয়ে ফোন দিচ্ছিল তখনই সাগরের মনে আচমকা স্বরণ হয় ওই মেয়ের কথা। ফোন আসলো ভালোমন্দ কথা হলো।

কিছু দিন কথা বলতে বলতেই, না দেখেই মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিলো সাগর। প্রথম দিকে রাজি না থাকলেও একটা সময় ছেলেটার প্রতি না দিখেই দূর্বল হয়ে যায় মেয়েটি।

একটু জানিয়ে রাখি মেয়েটির নাম নদী বাড়ি উত্তরাঞ্চল এলাকায় ছেলেটির বাড়ি দক্ষিণাঞ্চলে এলাকায়। মেয়েটি ধনি পরিবারের একমাত্র মেয়ে। যখন মেয়েটির সাথে সাগরের কথা হয় তখন সে ওই দিনেই এসএসসি পরীক্ষায় শেষ দিন। বর্তমানে মেয়েটি একজন সরকারি অফিসের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা। ছেলেটি ক্ষুদ্র ব্যবাসায়ি। এখনো ব্যবসা করে যাচ্ছে।

এবার আসল ঘটনায় আসি, ছেলেটি মেয়েকে বার বার নেটের মাধ্যমে দেখতে চাই। মেয়েটি বার বার তারিখ পরিবর্তন করে। যখন সম্পর্কের চার বছর তিন মাস তখন মেয়েটি নতুন টাস ফোন কিনে ইমুতে কথা বলে। প্রথম দেখায় সাগর ও নদী একে অপরের পছন্দ করে। এরপর থেকে ছেলে ও মেয়ের পরিবার পর্যন্ত গড়াই বিষয়টি।

ছেলের সাথে মেয়ের মায়ের কথা হচ্ছে। মেয়ের মায়ের সঙ্গে ছেলের মায়ের সঙ্গে কথা হচ্ছে। এভাবেই চলছে দীর্ঘদিন। এখন সাগর নদীকে বলছে তার সাথে মিশে যেতে। প্রেমের পরে বিয়ে করে সাগর ও নদীর একে অপরের সাথে মিশে যেতে চাই। আজ ২৬ শে মার্চ ২০২১ সাল সম্পর্কের পাঁচ বছর এই দিনে নদী ও সাগরে সাথে বিয়ে হওয়ার কথা তবে এই মুর্হুতে বিয়ে হচ্ছে না তাদের। মেয়োটি বিয়ের বিষয়ে আরও দুই মাস সময় নিয়েছে।

দেখা যাগ সর্বশেষ কি হয়। এর আগে এই গল্পটি প্রথম পর্ব সূর্যের আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। এর পর এবার দ্বিতীয় পর্ব। পাঠকরা তাকিয়ে রয়েছে গল্প সর্বশেষ কোন দিকে যায়। গল্পের বাকি অংশ জানতে সঙ্গে থাকবেন আশা করি। গল্পটি লেখকের কল্পনায় লেখা কারো সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ি নয়।

সাপ্তাহিক সূর্যের আলোয় প্রকাশিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *