রাত ১২:৫১ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

শ্যামনগরে প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলো কশাইখানা!

Spread the love

মোঃ নুরুজ্জামানঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে কিছু ক্লিনিক বা প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম বা দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে সম্প্রতি এই প্রাইভেট হাসাপাতাল বা ক্লিনিক গুলো কশাইখানা হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন। আরও অভিযোগ উঠেছে কোন কোন ক্লিনিক বা প্রাইভেট হাসপাতাল গুলো চলছে অনিবন্ধিত ভাবে।

এরই মধ্যে শ্যামনগর উপজেলার একটি প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকেরা লেখা লেখি শুরু করছে।

এরপর থেকেই এই বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের সামনে আসতে শুরু করেছে।

বলা হচ্ছে, শ্যামনগর উপজেলা সদরে প্রাইভেট হাসপাতাল বা  ক্লিনিকগুলো যখন গড়ে ওঠেছিল তখন শ্যামনগর বাসী কিছুটা স্বস্তির স্বপ্ন দেখছিলেন। অনেকেই ভাব ছিলেন ‘সাধ্যের মধ্যেই সাধ পূরণ’ হবে তাদের। কম খরচে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা হয়তো তাদের ভাগ্যে জুটবে। অথচ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হচ্ছে কিছু প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলোতে এখন উপজেলার সেরা কশাইখানায় পরিনত হয়েছে। সেখানে রোগিদের গলাকাটা থেকে পকেট কাটা সবই চলে উচ্চ রেটে। সেখানে একবার রোগী ভর্তি করলে আর রেহাই নেই।

হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যতো মেশিনপত্র যা আছে তার সব কিছুর সঙ্গেই রোগীর পরিচয় ঘটানো হয়।

প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিক গুলোর বিল পরিশোধ করতে জায়গা, জমি, ভিটে বাড়ি সব খুইয়ে রাস্তায় বসতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে । বলা হচ্ছে, একজন ডেলিভারি রোগীকে যে পরিমান টাকায় চুক্তি করা হয়, কিন্তু সেই পরিমাণ টাকা দিয়েও কাজ মেটে না।  বিভিন্ন টেস্ট করার অজুহাতে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হয়।”

এরই মধ্যে সাধারণ মানুষ বলছেন এই ধরনের প্রতারকের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের উর্ধতন কতৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ছাড়া কোন উপায় নেই।

জন- সাধারণের মূখে মূখে রটেছে কশাইখানার বাস্তব চিত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে চায়ের টেবিল পর্যন্ত গড়াইয়াছে আলোচনা। বিষয়গুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
লেখকঃ সম্পাদক- নীলাকাশ বার্তা

আরও পড়ুন

“ছেলের বিয়ের খুশিতে ১৫ কোটি টাকা হওয়ায় উড়ালেন বাবা!”

নীলাকাশ বার্তাঃ বর্তমান সময়ে বিয়ে মানেই উৎসব। তবে এই উৎসবের নামে প্রায়ই বিভিন্ন রকম আজব, মজার কাণ্ড কারখানা দেখা যায়। উদ্ভট নানা রকম পরিকল্পনাও করে থাকেন বর অথবা কনে পক্ষ। দিনটি স্মরণী বা স্মৃতির পাতায় ধরে রাখতে মানুষের ভাবনার শেষ নেই।

এরই ধারাবাহিকতায়ই পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে একটি বিয়ে উপলক্ষে হাওয়ায় উড়ানো হল ১৫ কোটি টাকা। জানা গেছে, “ছেলের বিয়েতে এতটাই আনন্দিত হয়েছেন বাবা যে ১৫ কোটি রুপি হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েছেন।

জানা গেছে, ‘বারাতে’র উপর নিজে হাতে ১৫ কোটি পাকিস্তানি টাকা ফেলেছেন ছেলের বাবা।”

“আনন্দে আটখানা বাবার এহেন কাণ্ড বিশ্বজুড়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সহজে।” হরিয়ানা থেকে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মাণ্ডি বাহুউদ্দীন বিয়ে করতে গিয়েছিলেন বর। টাকা ওড়ানোর জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া করেন তাঁরা।

বিয়ের এই বিরল কাণ্ড খুব স্বাভাবিক ভাবেই ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায়।

তবে নেটিজেনদের একাংশ অবশ্য এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা অভিযোগ তুলেছেন এই টাকা গুলো কালো টাকা। সূত্র- নিউজ এইটটিন ও জি নিউজ।

আরও পড়ুন

ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

নীলাকাশ বার্তাঃ

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করায় সুনামগঞ্জের শাল্লায় গ্রেফতার ঝুমন দাসের গ্রামে তার (মামুনুল) অনুসারীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া

বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নোয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা গ্রামের অন্তত ২০ ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়। তছনছ করা হয় ওইসব পরিবারের আসবাব।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মামুনুল হকের অনুসারীরা লঠিসোটা হাতে মিছিল নিয়ে ওই গ্রামে হামলা চালায়। হামলার আগেই বাড়ি ছেড়ে হাওরে আশ্রয় নেন নোয়াগ্রামের বাসিন্দারা। সে কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শাল্লায় যাদের বাড়িতে হামলা হয়েছে- শৈলেন্দ্র দাস, অনিল দাস, দিগেন দাস, হরিপদ দাস, রবিন্দ্র দাস , রন্টু দাস, অসীম চক্রবর্তী, দেবেন্দ্র কুমার দাস, নগেন্দ্র কুমার দাস, মানকি দাস সহ অন্তত ২০ বাড়িতে হামলা হয়।

ভুক্তভোগী শৈলেন্দ্র দাস জানান, যে ছেলেটি ফেসবুকে লিখেছে তাকে তারা গতকাল ধরে পুলিশে দিয়েছেন। তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিলো আর কিছু হবে না। কিন্তু সকালেই লাঠিসোঠা নিয়ে কয়েকশ’ মানুষ পুলিশ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সামনেই হামলা চালায়। গ্রামের নারীসহ পুরুষরা শিশুদের নিয়ে হাওরের দিকে ছুটতে থাকে। পরে বাড়ি ফিরে এসে দেখে ঘরের আসবাব ভাংচুর করে লুটপাট চালানো হয়েছে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন তার ঘরে থাকা স্বর্ণ ও টাকাও লুটে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

শাল্লা থানার ওসি নাজমুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, যে ছেলেটি ফেসবুকে আল্লামা মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তি করেছিল, তাকে ধরে গতরাতেই গ্রামের লোকজন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সকালে হঠাৎ শতাধিক লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে নোয়াগ্রামের দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছে এমন খবর পেয়ে পুলিশও তাদের পিছু নেয়। কিন্তু কিছু লোক আগেই নদী পার হয়ে নোয়াগ্রামে হামলা চালায়। এ সময় ঝুমন দাসের বাড়িসহ প্রায় ২০ বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে বলে জানান ওসি।

এর আগে সোমবার শাল্লার পার্শ্ববর্তী উপজেলা দিরাইয়ে হেফাজতের একটি সমাবেশে বক্তব্য দেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *