রাত ১:৫৮ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

“কথা দিলাম প্রথম বুলেটটা নিতে বুক পেতে দেব, পালাব না”

Spread the love

 

নীলাকাশ বার্তাঃ “দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী সাবেক ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন বলেছেন, “আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি- এই আন্দোলন সংগ্রাম সফল করতে এই সরকারের পতন ঘটাতে প্রথম বুলেটটা নেওয়ার জন্য আমার বুক পেতে দেব।” পেছন দিয়ে পালিয়ে যাব না।”

আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের সামনে সমাবেশে তিনি একথা বলেন।”

“নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের নামে সাজানো মামলা ও সাজা প্রত্যাহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি”।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এসে আমি আপনাদের বলতে চাই, “তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠেছে।” “আমরা এই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি মেনে নেব না”। ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আমরা নিজেদের মধ্যে মারামারি”, “ক্ষমতায় যাওয়ার যে একটা লালসা সেখান থেকে বিবাদ, বিভাজন, বিরোধ, মারামারি, হানাহানি করছি। এখানে লাভ কার হচ্ছে?”

“গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ও অভিবক্ত ঢাকা সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাপুত্র ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেছেন, “মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি আজও লজ্জিত। কারণ আমরা নতুন প্রজন্ম এখনো ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র খুঁজে বেড়াই।’

আরও পড়ুন

ছবি: নিউজ এইটিন

“চাঞ্চল্যকর মিষ্টির বাজারেও ‘খেলা হবে’!”

আন্তর্জাতিক বার্তাঃ ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে বর্তমান সময়ের পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে গরম স্লোগান তৃণমূলের ‘খেলা হবে’।”

এর পর পরেই বিজেপির ‘জয় শ্রীরাম’। গানে গানে, রিংটোনে সবখানেই এখন এই দুই স্লোগান চলছে।

” এই শ্লোগান রাজনীতির চৌকাঠ পেরিয়ে সোজা ঢুকে পড়েছে মিষ্টির বাজারেও।”

” ভোটের বাজারের এই পাল্টাপাল্টি স্লোগানকে পুঁজি করেই রমরমা ব্যবসা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মিষ্টি ব্যবসায়ীদের।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, বর্ধমান, হুগলি, চব্বিশ পরগনা, উত্তরবঙ্গের মহর গ্রামের সব দোকানেই এখন ‘খেলা হবে’-‘জয় শ্রীরাম’ মিষ্টি- সন্দেশের সয়লাব। আর এই খবরে সাংবাদিকদের চোঁখে ধরা পড়ে গেছে। এরপরে নিউজি এইটিনের এই খবর প্রচার হয়েছে।

“কলকাতার প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিকের শোকেসে এবার সেজেছে ‘খেলা হবে’-‘জয় শ্রীরাম’ সন্দেশে। রাজনীতির মাঠে পরস্পর প্রতিপক্ষ হলেও শোকেসে তারা পাশাপাশি। সাদা-সবুজ মেজাজে ‘খেলা হবে’ সন্দেশ।

“আর ‘জয় শ্রীরাম’ মিষ্টির চেহারা সাদা-কমলা। এখানেই শেষ নয়, ভোট উৎসবের কথা মাথায় রেখে বানানো হয়েছে সব দলের প্রতীকের সাজে সাজানো মিষ্টি।” সেগুলো মূলত সন্দেশ। সরাসরি রাজনীতির গন্ধ লাগা।

“এই সন্দেশের কোনোটিতে থাকছে মমতা ব্যানার্জির মুখ। কোনোটিতে হাসিমুখে হাজির হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।”

“হুগলির বিখ্যাত ফেলু মোদকে ইতিমধ্যেই সুপার হিট ‘খেলা হবে’ সন্দেশ। সেখানে চকলেট, স্ট্রবেরি ও ম্যাংগো স্বাদের সঙ্গে মিলেছে সাদা নরম সন্দেশ।”

“একএকটির দাম ৪০ থেকে ১০০ টাকা। চাহিদাও অনেক। লাইন দরে কিনছেন গ্রাহকরা।”

“এখানকার কর্ণধার অমিতাভ দে’র কথায়, আমরা দারুণ সাড়া পাচ্ছি এই সন্দেশে”। খেলা হবে কথাটি এখন পুরোদস্তুর রাজনৈতিক”। তাতে মেশানো আছে উচ্ছ্বাস, মজা। নতুন প্রজন্ম তাই এই সন্দেশে মজেছে।”

আরও পড়ুন

দীঘির বিরুদ্ধে যে কারণে কোটি টাকার মামলা করবেন পরিচালক!

নীলাকাশ বার্তা- মনোয়ার হোসেন ডিপজলের সিনেমার একটি দৃশ্য ‘বাবা জানো, আমাদের একটা ময়না পাখি আছে না, সে আজকে আমার নাম ধরে ডেকেছে’ বলা সেই শিশুশিল্পী দীঘি এবার চিত্রনায়িকা হয়ে রূপালি পর্দায় আসছেন বলে জানা যাচ্ছে।”

দীঘির প্রথম সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘তুমি আছো তুমি নেই’।

দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত এই ছবিটি ১২ মার্চ মুক্তি পাবে।

মুক্তির আগেই ছবিটির নায়িকা দীঘির কয়েকটি মন্তব্যে বেশ চটেছেন পরিচালন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু।

যেকোনো মুহূর্তে দীঘি ও তার মামার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা মানহানির মামলা ঠুকে দেবেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই বর্ষীয়ান পরিচালক।

দীঘির ওপর ক্ষুব্ধ পরিচালক জানালেন ‘আজকালের মধ্যে হাইকোর্ট থেকে ওর (দীঘি) কাছে উকিল নোটিশ চলে যাবে। আমি ওকে ছাড়ব না।’

“সম্প্রতি দীঘির প্রথম ছবির ট্রেলার মুক্তি পায়, যা দেখে নেটিজেনরা সমালোচনায় মাতেন। “অনেকেই ব্যাঙ্গ করে এই ট্রেলার দেখার জন্য খরচ হওয়া ইন্টারনেট বিল ফেরত চান।”

নেটজুড়ে এমন সব সমালোচনায় বিব্রত হয়ে দীঘি মন্তব্য করেন, ‘ছবিটি মানহীন। এটি চলবে না। দর্শকপ্রিয়তা পাবে না।’”

” মুক্তি পাওয়ার আগে সিনেমার নায়িকার মুখেই এমন মন্তব্য এর ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন পরিচালক ঝন্টু।”

তিনি বললেন, এতে আর্থিক ক্ষতি হলে দীঘি এক কোটি টাকার মানহানি মামলার মুখে পড়বেন। ।

“গত ৮ মার্চ একটি ইউটিউব চ্যানেলে ঝন্টু ক্ষোভ ঝাড়েন, “নায়িকা হয়েও দীঘি ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার সমালোচনা করেছে। এটা ঠিক হয়নি। সে নায়িকা। তার কথায় দর্শক বিমুখ হবে। এতে সিনেমাটি চলবে না।”

” দীঘির জন্য ১ কোটি টাকা ক্ষতি হবে আমার। প্রযোজক কী করবে জানি না। কিন্তু আমি ওকে ছাড়ব না”। এটা পরিচালকের মানহানির বিষয়।”

দীঘি যখন বলেছে, ‘সিনেমাটি চলবে না’। তখন পরিচালক হিসেবে আমারও মানহানি হয়েছে”। আমি মানহানি মামলা করব দীঘি ও তার মামার নামে।

“শুটিং, ডাবিংয়ের সময় সিনেমার সংলাপ ও ঘটনা নিয়ে প্রশংসা করেছে দীঘি। “কিন্তু এখন কেন সে সমালোচনা করছে? ডেফিনেটলি দেয়ার ইজ সামথিং রং। কেউ ওকে দিয়ে এসব বলাচ্ছে বলে আমি মনে করছি।

এক সময় উত্তেজিত কণ্ঠে এ নির্মাতা বলেন, ‘আমি দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। বাংলাদেশে আরেকটি নেই। উপমহাদেশে আমার মতো একজন চলচ্চিত্রকার নেই। “আমি দুই কোটি টাকা নিয়ে সিনেমা বানিয়েছি, ২০ লাখ দিয়েও বানিয়েছি। ‘চলচ্চিত্র মেধা দিয়ে তৈরি হয়, টাকা দিয়ে নয়’।

” ট্রেলার দেখে তো সত্যজিৎ রায়ও মন্তব্য করতে পারবেন না যে, ছবি চলবে কি চলবে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *