রাত ১২:৫৭ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

“জোটের রাজনীতি- ঘরের আগুনে পুড়ছে ১৪ দল”

Spread the love

নীলাকাশ বার্তাঃ “সংকটে ধুঁক’ছে” ১৪ দল। জো’টের প্রধান দল ক্ষমাসিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে শরিক দের দূরত্ব বাড়ছে।” “অন্য দিকে নিজে’ দের আগুনে পুড়ছে জোটের শরিক দলগুলোও”।

‘ভাঙা- ‘গড়াসহ অভ্যন্ত’রীণ বিভিন্ন সমস্যায় শরিকরাও ক্ষত- বিক্ষত। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাদের নিজস্ব দলীয় কর্মকাণ্ড”। “দীর্ঘ আন্দোলন -সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতির মাঠে এক সময় যে আবেদন এই জোট তৈরি করেছিল, এখন তাও হারাতে বসেছে”।

“রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, “মূলত সরকার গঠনের পর থেকে জোটের প্রধান দল আওয়ামী লীগের এক চলো নীতির কারণে শরিকদের সঙ্গে টানা”পোড়েন তৈরি হতে থাকে”। পাওয়া না পাওয়ার দ্বন্দ্বে বাড়তে থাকে দূর’ত্ব। ক্র’মেই তা বেড়ে চলেছে”। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে জোটের শরিক দল- গুলোর অভ্যন্তরীণ সংকট”। “সরকার গঠনের পর থেকে সম-সাময়িক বিষয়-সহ দেশের নানা সংকটে গঠন- মূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারকে সতর্ক করে আসছে ১৪ দল”। “কিন্তু করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারি মোকাবেলা, দ্রব্য-মূল্যের ঊর্ধ্ব-গতি, খুন, গুম, ধর্ষণ, অর্থ’পাচার, অনিয়ম _দুর্নীতির মতো নেতিবাচক ঘটনা এবং জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেন্দ্র করেও কোনো ভূমিকা নেই এই জোটের।”

“এমত অবস্থায় ১৪ দলীয় জোটের বৈঠক ডাকার জন্য সম্প্রতি চিঠি দিয়েছে অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি”। “জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর কাছে এই চিঠি দেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি”। বহুল আলোচিত ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের সংশোধনসহ সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা’র জন্যই মূলত তারা বৈঠকে বসার তাগিদ দেন।”

বিষয়টি স্বীকার করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেন, “আমরা একটি চিঠি দিয়ে জোটের বৈঠক আয়োজনের জন্য বলেছি”। “আমরা মনে করি ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংশোধন-সহ সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আমাদের এক টেবিলে বসা উচিত”। তিনি আরও বলেন, “যে উদ্দেশ্য নিয়ে জোট গঠন হয়েছিল, আজ সে অবস্থানে নেই ১৪ দল”। “কোনো কর্মসূচি না থাকায় জোটে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে”। “দিন দিন সংকট বাড়ছে। আলাপ আলোচনা না হওয়ায় শরিকদের মধ্যে দূরত্বও বাড়ছে”।

“এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া বলেন, “১৪ দলীয় জোট গঠিত হয়েছিল জঙ্গিবাদ, মৌল-বাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ -ভাবে আন্দোলন গড়ে তুলে গণতন্ত্রের পথ স্বাভাবিক রাখার জন্য”। “কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জোট সে অবস্থানে ভূমিকা রাখছে না”।

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে যে খুন, ধর্ষণ ও লুটেরা রাজনীতি চলছে, সেখানে ১৪ দল কোনো কথা বলছে না”। “এতে জোটের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠছে”। “রাজনীতির মাঠে ১৪ দল এক সময় যে আবেদন তৈরি করেছিল “এখন কথা না বলায় তাও তারা হারাতে বসেছে। “এ অবস্থায় আমাদের একসঙ্গে বসে করণীয় ঠিক করতে হবে।”

“২৩ দফার ভিত্তিতে ১৪ দলীয় জোট গঠিত হয়েছিল”। “২০০৮ সালে নির্বাচন কেন্দ্র করে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-সহ “আরও কয়েকটি দল যুক্ত হওয়ায় তা মহাজোটে রূপ নেয়”। “২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন করে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে মহা-জোট”। “যদিও এ জোট থেকে নানা সময় অনেক দল বেরিয়েছে, যুক্তও হয়েছে।”

“এর আগে ২০০৪ সালে বিএনপি- জামায়াত সরকারের আমলে ১৪ দলীয় জোট গঠন হয়।” “এ সময় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সোচ্চার ছিলেন জোটের নেতারা”। “২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ক্ষমতায় আসার পর জোটের কর্মসূচির পরিবর্তন আসে।” “আওয়ামী লীগ এর দুই আমলে শরিক দল এর শীর্ষ কয়েক নেতা মন্ত্রি -সভায় জায়গা পাওয়ায় জোটের কার্যক্রম থেকে সরকারের কার্যক্রমে বেশি মনোযোগী হন নেতারা”। “এরপর ২০১৮ সালে তৃতীয় বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রি সভায় জোটের কোনো শরিক দলের ঠাঁই মেলেনি।” “ফলে শরিক দল- গুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগের অভিমান ও মতবিরোধ দৃশ্যমান হয়”।

“আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজ-তান্ত্রিক দল” জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, সাম্যবাদী দল, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি -ন্যাপ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, গণ-আজাদী লীগ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, জাতীয় পার্টি’ জেপি।

“এরই মধ্যে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে একটি অংশ বেরিয়ে গিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি নামে আলাদা দল গঠন করে”। “জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ ভেঙে বাংলাদেশ জাসদ নামে আলাদা দল হয়েছে”। “ভেঙে গেছে সাম্যবাদী দলও”। “গণআজাদী লীগও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে সম্প্রতি।” “বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন থেকে দলটির সাবেক মহাসচিব এমএ আউয়ালের নেতৃত্বে একটি অংশ বেরিয়ে গিয়ে আলাদা দল গঠন করেছে।”

“সংশ্লিষ্টদের মতে, অভ্যন্তরীণ সংকট আর ভাঙা-গড়ার খেলায় ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা নিজেরাই নানা ভাবে বিপর্যস্ত।” “দিন দিন তারা ক্ষুদ্র থেকে আরও ক্ষুদ্র হচ্ছে”। “শক্তি এবং সামর্থ্যও হারাচ্ছে”। এ কারণে রাজনীতির মাঠে গ্রহণ- যোগ্যতাও কমে যাচ্ছে দলগুলোর”। জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। কেন এই স্থবিরতা-এ বিষয়ে ভেতরে ভেতরে চলছে আলোচনা সমালোচনা”।

“জানতে চাইলে আমির হোসেন আমু বলেন, “করোনা কালীন এই সংকটে প্রথম এবং প্রধান কাজ মানুষের জীবন রক্ষা করা।” সরকার এই কাজটিই করছে।” তিনি বলেন, “১৪ দল আছে, থাকবে।” “এটি একটি রাজনৈতিক এবং আদর্শিক জোট”। “করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে”। আরও একটু উন্নতি হলেই আমরা দ্রুত বসব। আমরা আমাদের করণীয় ঠিক করব।”

সূত্র যুগান্তর

আরও পড়ুন

“সমগ্র দুনিয়ার অশান্তির মূলে নাস্তিকদের অবদান- বাবু নগরী”

নীলাকাশ বার্তাঃ “ফরিদগঞ্জ দারুল কোরআন ইসলামিয়া মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলে হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা জুনাইদ বাবু নগরী বলেছেন, “বর্তমান বাংলাদেশসহ সমগ্র দুনিয়াতে যে অশান্তি বিরাজ করছে, তার পিছনে কারা কাজ করছে, কারা নানা ভাবে মুসলিম জাতিকে বিশ্ব ব্যাপী উগ্র হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে।” জানেন, তারা আর কেও না” তারা হচ্ছে নাস্তিকের দল।” “সারা দুনিয়ার অশান্তির মূলে এই নাস্তিকরা।” তাদের কোনো ধর্ম নেই”। তাদের এক মাত্র শত্রু হচ্ছে আল্লাহ, রাসুল ও উম্মতি মোহাম্মদীরা।”

তিনি বলেন, “এই নাস্তিক্যবাদীরা আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বে নানা ধর্মের বিশ্বাসীদের মধ্যে নানা ভাবে বিরোধ সৃষ্টি করে আজ ধর্মে ধর্মে যুদ্ধে লাগিয়ে তারা খেলা করছে”। তারা বুঝে না নমরুদ ফেরাউনরাও অনেক শক্তিশালী ছিল, কিন্তু আল্লাহ পাকের ইশারায় সামান্য মশার কাছে তারা পরাস্ত হয়ে গেছে।”

“শুক্রবার বিকালে ফরিদগঞ্জ দারুল কোরআন ইসলামিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তৃতীয় বার্ষিকী ওয়াজ মাহফিলে হেফাজতে ইসলামের আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবু নগরী এসব কথা বলেন।”

বাবু নগরী বলেন, “নবী রাসুলের কথা শুনলে নাস্তিকদের গা জ্বালা দিয়ে উঠে”। “তাই এদেশের শান্তি প্রিয় মুসলমানের ধর্মী প্রতিষ্ঠান এবং এর খেদতমকারী ও আল্লাহওয়ালাদের বিরুদ্ধে এরা ষড়যন্ত্রে বেড়া জাল বুনছে।” “তাদের বিরুদ্ধে আপনারা সোচ্চার হোন।”

তিনি বলেন, “আজকে ভারতের মোদি সরকার বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও মুসলমানদের নির্মূলে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।” কিন্তু মহান আল্লাহপাকের ইশারায় সেও শান্তিতে নাই। “বাংলার মাটিতে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমগ্র জাতি সহাবস্থানে বাস করছে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ- বিএনপিরাও কোনো না কোনো ভাবে এক অভিন্ন। “কিন্তু শাহরিয়ার কবিরসহ নাস্তিক্যবাদের বিশ্বাসীরা হচ্ছে সমস্ত জাতির জন্য বিপদজনক”। “তাই মুসলমান তথা আমাদের যুদ্ধ হচ্ছে নাস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে।” “এর বাহিরে সমস্ত বিশ্ববাসী আমি মনে করি নিরাপদ ও শান্তির বিশ্বাসী।”

আরও পড়ুন

“শ্যামনগরে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত”

নীলাকাশ বার্তাঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোনার মোড় নামক স্থানে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। ঘটনাটি আজ শুক্রবার ৫ মার্চ ৪ টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশিপুরের লস্কর পাম্পের পাশে ঘটে”।

নিহত ব্যাক্তি হলেন উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশিপুর গ্ৰামের আফতাব মল্লিকের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৬৩), ও আহত মটর সাইকেল চালক শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন মাজাটের হাসান সরদারের ছেলে শাহাজাহান (১৯)।

একটি সুত্রে জানা যায়, সড়ক ও জনপদের জায়গার উপর নাজমুলের বালুর আঁড়তে একটি ১০ চাকার বালু ভর্তি ট্রাক বালু আনলোডের কাজ চলছিল।

“ট্রাকের পিছন থেকে আনোয়ারা বেগম রাস্তা পার হয়ে ওপর প্রান্তে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।”

স্থানীয়রা আনোয়ারা বেগমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার মুসরাত ইয়াসমিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

আরও পড়ুন

“আন্দোলনে সরকারের পতন’-ফখরুলের বক্তব্যের জবাব দিলেন কাদের”

নীলাকাশ বার্তাঃ “এই সরকার নির্বাচিত নয়, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সরকারের পতন হবে- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।”

শুক্রবার তার সরকারি বাসভবন থেকে এক ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন , “বিএনপির এমন হুমকি-ধমকি আমরা বছরের পর বছর শুনেছি।” তাদের আন্দোলন এবং সরকার পতনের ঘোষণার ইতো মধ্যে একযুগ পূর্তি হয়ে গেছে, জনগণ এখনও কোনো আন্দোলন দেখতে পায়নি রাজপথে।”

তিনি আরও বলেন,” ক্ষমতায় থাকা কালে বিএনপি সরকার পরিচালনায় একাধিক বিকল্প ক্ষমতা কেন্দ্র তৈরি করেছিল। এখনও তাদের আন্দোলনের ডাক আসে দেশ -বিদেশের বিভিন্ন ক্ষমতা কেন্দ্র থেকে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি নেতারা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অন্ধ বিরোধিতা করছে, আইনটির যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটছে কিনা সে বিষয়টির প্রতি সরকার কড়া নজর রাখছে।”

তিনি বলেন, “প্রযুক্তির এ যুগে জনস্বার্থেই এ আইন করা হয়েছে, আইনের অপপ্রয়োগ যাতে না হয় সে বিষয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি এখন এ আইন নিয়ে মানবাধিকারের কথা বলছে; অথচ ‘৭৫-এর হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতির পিতার খুনিদের বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

আরও পড়ুন

নীলাকাশ বার্তাঃ “দীর্ঘ এক যুগ দুই বছর অর্থাৎ ১৪ বছরেও বিচার হয়নি রাঙামাটির সাংবাদিক জামাল উদ্দীন হত্যার”। “তাই বিচার বিভাগের উপর আস্থাহীনতায় পরেছে তার পরিবার।” “১৪ বছরেও কোন কুলকিনার হয়নি জামাল হত্যা মামলার।” গ্রেফতার করা হয়নি আসামিও।”

“এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাঙামাটির সাংবাদিক সমাজ।”
“আজ শনিবার সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী”। “এ উপলক্ষে জামালের পরিবার আয়োজন করেছে কবর জিয়ারত, দোয়া, কোরআন খতম ও মিলাদ মাহফিলের।”

“রাঙামাটির সাংবাদিক জামালের ছোট বোন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু বলেন, আমি হতাশ।”

“১৪ বছর পেরিয়ে গেলো, ভাই হত্যার বিচার পাইনি।” “আদৌ পাব কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।”  “ঝুলন্ত হত্যা মামলাটি এখন ডুবন্ত সূর্য। তদন্তের পর তদন্ত হলো।”

“কিন্তু জামাল হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হলো না।”

“মুমু বলেন, “এ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তারা।” “২০০৭ সালে ৫ মার্চ অপহরণ হয় আমার ভাই। ” ৬ মার্চ লাশ মিলে জঙ্গলে। কে বা কারা তাকে অপহরণ করেছে, হত্যা করেছে।”

“কেন করেছে? “কিছুই জানতে পারিনি আজও।”  “শুধু এটা জানি আমার ভাই কখনো কারো রক্ত চক্ষুকে ভয় পেত না।” “কখনো আপোষ করেনি কোন অপরাধ- অপরাধীর সাথে”। তাই হয়তো তাদের ক্ষোভের শিকার হতে হয়েছে তাকে।” বিচার না পেয়ে আমি আস্থাহীনতায় পরেছি”। তবে সরকার চাইলে আমি আমার ভাই সাংবাদিক জামাল হত্যার বিচার পাবোই।”

অন্য দিকে, “প্রতিবছর এ দিনে সাংবাদিক সমাজ জামাল হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সামাবেশের আয়াজন করে থাকলেও এ বছর তা করা হয়নি”। “কারণ দীর্ঘ বছরেও বিচার না পেয়ে হতাশা দেখা দিয়েছে সাংবাদিক মহলের মধ্যে”। তারা বলছেন, “দীর্ঘ বছর ধরে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার কারণে আইনের উপর আস্থাহীনতায় পরেছেন তারা।

প্রসঙ্গত, “২০০৭ সালে ৫ মার্চ নিখোঁজ হয় রাঙামাটির সাংবাদিক জামাল উদ্দীন।” “এর পর ৬ মার্চ রাঙামাটি পর্যটন এলাকার হেডম্যান পাড়ার জঙ্গলে তার রক্তাত্ব মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ”। “সাংবাদিক জামাল সে সময় পার্বত্যাঞ্চলের একজন আলোকিত সাংবাদিক ছিলেন। “তিনি মৃত্যুর আগর পর্যন্ত দৈনিক বর্তমান বাংলা, বার্তা সংস্থা আবাস ও বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভিতে কর্মরত ছিলেন।”

আরও পড়ুন

রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানাবো ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে নয় এক ব্যানারে আসুন- নুর

নীলাকাশ বার্তাঃ “ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “আমি রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানাবো আর ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে নয়। এক ব্যানারে আসুন, বাংলাদেশকে রক্ষা করুন। এখন থেকে স্লোগান হবে একটাই- বাঁশের লাঠি তৈরি করো। বাংলাদেশ রক্ষা করো।”

শুক্রবার বিকালে জাতীয় যাদুঘরের সামনে বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

“শ্রমিক নেতা নুরুল আমিনসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারকৃত সকলের নিঃশর্ত মুক্তি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নুর বলেন, “বাংলাদেশের জনগণকে বলবো যখন দেশে বালা- মুছিবত আসবে কেউ কিন্তু রেহাই পাবেন না”। “সময় থাকতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন কার্টুনিস্ট কিশোরকে কিভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।”

“কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো? কারণ তিনি একটি কার্টুন একেঁছিলেন।” কার কার্টুন একেঁছিলেন? “ব্যাংক লুটেরা পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান নাফিজ সারাফাতের।”

” জাতিসংঘসহ উন্নয়ন সহযোগী ১৩টি রাষ্ট্র, বিভিন্ন মানবধিকার সংগঠন নির্যাতন নিপীড়ন নিয়ে কিন্তু সরব হচ্ছে।”

” এখন জনগণকে জাগতে হবে। প্রশাসন তখনই পাশে দাঁড়াবে যখন দেখবে জনতার ঢল নেমেছে।”

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আরো বলেন, “বিনা ভোটের সরকার বাংলাদেশকে ইরাক, সিরিয়া, মিয়ানমার বানাতে চায়”। “এই বিনা ভোটের সরকারের কাছে কী আমরা ১৮কোটি লোক জিম্মি থাকবো?” আপনাদের সংগ্রাম করতে হবে।” এই সংগ্রামে আমি মরি না আপনি মরেন সেটা উপর ওয়ালাই ঠিক করবে। “আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করছি এদেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য।” “মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছরে স্বাধীনতার চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত হতে দিতে পারি না”। “আমরা ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছি ২৬শে মার্চের মধ্যে কালো আইন বাতিল না হলে সংসদ ঘেরাও হবে। “বাতিল না হলে আমাদের কর্মসূচি হবে- এক দফা এক দাবি, হাসিনা তুই কবে যাবি।”

নুর দাবি জানিয়ে বলেন, “আপনারা দেখেছেন, মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদ করায় বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়।” “বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়েছে।” শ্রমিক নেতা রুহুল আমিনকে একটি পোস্ট দেবার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” “আমরা অবিলম্বে সবার মুক্তি চাই এবং ২৬শে মার্চের মধ্যে কালো আইন বাতিল করতে হবে। “আর যদি বাতিল না হয় তাহলে বলছি, “এই লড়াই আমাদের নয় এই লড়াই ১৮ কোটি মানুষের লড়াই।” এই লড়াইয়ে সবাই ভিতরে ভিতরে প্রস্তুতি নিন”। পাড়া থেকে মহল্লায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করুন”। এই মাফিয়াদের হটাতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ হবার কোন বিকল্প নাই।”

আরও পড়ুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আইনমন্ত্রী বললেন,,,

নীলাকাশ বার্তাঃ “অল্প কিছু দিনের ভিতরে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

“আইনমন্ত্রী আনিসুল হক শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তনের বিষয়ে কথা এসব কথা বলেন।

“পরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক রেল স্টেশনের বাইরে এলাকা বাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।” তিনি বলেন, “আপনারা সবাই যদি শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকেন, তা হলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পাল্টে যাবে।”

আইনমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের সাহসে পদ্মা সেতুর মত বৃহত্তম প্রকল্প নিজেদের টাকায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে গেছে।”

“বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।” “সবই জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *