রাত ২:০৩ । ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ । ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল www.nilakashbarta.com – নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : www.facebook.com/nilakashbarta * To get the latest news, visit www.nilakashbarta.com first. Thanks. District/Upazila based representatives will be appointed in the popular online news portal www.nilakashbarta.com of Bangladesh on an urgent basis. Those interested should contact. Office: Sundarbans Tower (2nd Floor), Nurnagar Bazar, Nurnagar-9451, Shyamnagar, Satkhira, Dhaka, Bangladesh. Mob: +8801885-175680, + 801958-695971, E-mail: nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, Facebook: www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম

“যে কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্যামনগরে আসতে চাচ্ছেন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি- ফাইল ছবি

Spread the love

নীলাকাশ বার্তাঃ, আগামী ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অংশগ্রহন করবেন বলে বেশ কিছু দিন ধরে তোড়জোড় চলছে দেশে। ২৭ মার্চ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি তীর্থস্থান পরিদর্শন করবেন বলে কথা বার্তা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

” হটাৎ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শ্যামনগরে আসার খবরে চায়ের টেবিল সরগরম হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী যদি আসেন তাহলে বিদেশি কোন প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম শ্যামনগরে পা রাখবে”

ইতোমধ্যে নরেন্দ্র মোদির অগ্রবর্তী নিরাপত্তা দল ও ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের কয়েকটি তীর্থস্থান পরিদর্শন ও প্রাথমিক ভাবে বাছাই করেছে।

এসব তীর্থ স্থানের মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামের ‘যশোরেশ্বরী শক্তিপীঠ’।”

“দিল্লি থেকে উড়ে আসা মোদির নিরাপত্তা দলের সদস্যরা গত সপ্তাহেই সাতক্ষীরা সরজমিন ঘুরে দেখেছেন।” মন্দিরের অবকাঠামো, যাতায়াত পথ, নিরাপত্তাসহ সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে গেছেন তারা।”

একটি সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামে অবস্থিত যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে যেতে বেশি আগ্রহী ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি।” তার আগ্রহ মতেই এখন সার্বিক প্রস্তুতি- কর্ম শুরু হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত আসবে কিনা সেই সব ব্যাপারে এই স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

” কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িতে যেতেও মোদির আগ্রহ আছে। কিন্তু ২৭শে মার্চের ব্যস্ত সফর সূচির মধ্যে গোপালগঞ্জ আর সাতক্ষীরার সঙ্গে কুষ্টিয়ার অন্তর্ভুক্তি বাস্তবে কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।”

যদিও ঢাকার বাইরের দিনভর ট্রিপের পুরোটাই হবে হেলিকপ্টার যোগে।

” গোপালগঞ্জের আদি বাসিন্দা মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রবক্তা হরিচাঁদ ঠাকুরের বাড়ি দেখার ইচ্ছা প্রকাশকে ২৭শে মার্চ থেকে শুরু হওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে একটি রিপোর্ট করেছে জার্মান সংবাদ ডয়চে ভেলে বাংলা সার্ভিস।” এ পরিদর্শন টিকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে চিত্রায়িত করেছে সংবাদ মাধ্যমটি।” কিন্তু হঠাৎ করে সাতক্ষীরার মন্দির পরিদর্শনের বিষয়টি মোদির সফরে যুক্ত হলো কীভাবে? এ পরিদর্শনের রাজনৈতিক তাৎপর্যই কি তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ।”

“বিশ্লেষকরা এখনো এর কোনো কূলকিনারা করতে পারছেন না”। তারা ঘুরে ফিরে মন্দিরটির বিশেষত্বকে সামনে রাখছেন।” পশ্চিমবঙ্গের সংবাদ মাধ্যমগুলোর বরাতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বাংলাদেশ তথা উপ-মহাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে যশোরেশ্বরী শক্তিপীঠের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

“এর নামকরণেরও বিশেষত্ব আছে। যার অর্থ দাঁড়ায় ‘যশোরের দেবী’। এটি একটি তীর্থস্থান। মন্দিরটির গুরুত্ব ও ইতিহাস বর্ণনায় নানান তথ্য প্রচার আছে।”

“ধারণা করা হয় যে, মন্দিরটি আনারি নামের এক ব্রাহ্মণ নির্মাণ করেন। “তিনি যশোরেশ্বরী শক্তি পীঠের একশো টি দরজা নির্মাণ করেন। কিন্তু মন্দিরটি কখন নির্মিত হয়েছে তা আজো অজানা। পরবর্তী কালে লক্ষ্মণ সেন ও প্রতাপাদিত্য তাদের রাজত্বকালে এটির সংস্কার করেছিলেন।

“কথায় আছে যে মহারাজা প্রতাপাদিত্যের সেনাপতি এখানকার জঙ্গল থেকে একটি অলৌকিক আলোর রেখা বের হয়ে মানুষের হাতের তালুর আকারের একটি পাথরখণ্ডের উপর পড়তে দেখেন।”

” পরবর্তীতে প্রতাপাদিত্য কালীর পূজা আরম্ভ করেন এবং এই কালী মন্দিরটি নির্মাণ করেন।”

” জমিদার বাড়িতে অবস্থিত যশোরেশ্বরী মন্দিরটির বিষয়ে বলা হয়, এই সতীপীঠে কায়মনোবাক্যে পুজো করলে ভক্তের মনোবাসনা পূর্ণ হয় মর্মে প্রচার আছে।”

” এখানে মন্দির-বেদির ওপর প্রতিষ্ঠিত মাতৃমূর্তির শুধু মুখমণ্ডলই দৃষ্টিগোচর হয়।”

” যশোরেশ্বরীর কণ্ঠের নিচে তার শ্রীহস্ত ও শ্রীচরণ কিছুই নজরে পড়ে না। মূর্তির অবয়ব পুরোটাই মখমলে আবৃত। মাথার ওপর টকটকে লাল রঙের চাঁদোয়া।” কণ্ঠে রক্তজবার মালা ও নানা অলংকার। মাথায় সোনার মুকুট। “লালজিহ্বা দেবীর ভীষণা মূর্তি। পশ্চিমবঙ্গের মালদার জাগ্রত জহুরা কালীমূর্তির মুখমণ্ডলের সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্য রয়েছে যশোরেশ্বরীর।”

“হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস মতে, সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম যশোরেশ্বরী মন্দিরে সতীর করকমল পড়েছিল। অনেকে আবার বলেন, দেবীর দুই পা পড়েছিল এখানে। “বাংলাদেশের অন্যতম সতীপীঠ যশোরেশ্বরীর পুজোতেও রয়েছে স্বাতন্ত্রতা।” সমবেত ভক্তগণ ফুল, ফল ও নানা ধরনের মিষ্টি আনেন।” সুন্দর করে কাঁসার থালা ও মাটির পাত্রে থরে থরে নৈবেদ্য সাজানো হয়।” প্রতিবছর মন্দিরে ধুমধাম করে শ্যামাপুজো হয়। হাজার হাজার ভক্ত পুজো দেন, মানত করেন। “বড় করে হোমযজ্ঞ হয়,পাঠা বলি হয়। মন্দিরের সামনে তিনদিন মেলা বসে এখানে হিন্দু ভক্তদের পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বীরাও যোগ দেন এ মেলায়।” মূল মন্দির সংলগ্ন স্থানে নাটমন্দির নামে একটি বৃহৎ মঞ্চমণ্ডপ ছিলো।”

“কথিত আছে, “এটি লক্ষ্মণ সেন বা মহারাজা প্রতাপাদিত্য ত্রয়োদশ শতাব্দীতে নির্মাণ করেছিলেন। “কিন্তু ১৯৭১ সালের পর এটি ভেঙে পড়ে।” “সেই সুদৃশ্য, লম্বা-চওড়া বিরাট নাটমন্দিরের এখন শুধুমাত্র ভগ্ন স্তম্ভগুলোই দেখা যায়। দু-একটা স্তম্ভ কয়েকশ’ বছরের নীরব সাক্ষী হয়ে ইটের পাঁজর বের করে দাঁড়িয়ে আছে”। মন্দিরটির চারদিকে সুউচ্চ প্রাচীর ছিল।” কিন্তু মূল মন্দিরটি বাদে আজ অনেক কিছুই কালের গর্ভে বিলীন। “মন্দিরের নওবতখানা এখন ভগ্নস্তূপ। অবশ্য ধর্মীয় এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ওই স্থাপনার সংস্কারে বাংলাদেশ সরকার অনেকটাই এগিয়ে এসেছে।”

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাতক্ষীরা সফর প্রস্তুতির বিষয়ে আলোচনার জন্য জেলা প্রশাসককে ঢাকায় ডেকে পাঠানো হয়েছে।”

আরও পড়ুন

“ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তার পানি আর সীমান্ত হত্যা নিয়ে দেশটির অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন”

নীলাকাশ বার্তাঃ “ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যৌথ ব্রিফিংয়ে নিজের বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

” ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত সরকার আগের অবস্থানেই আছে।”

“একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সীমান্তে অপরাধ কমানোর বিষয়ে জোর দিয়েছেন এবং বলেছেন তাদের লক্ষ্য হলো- ”অপরাধ নয়, মৃত্যুও নয়’ সীমান্তের ক্ষেত্রে এ নীতির ওপর জোর দেয়া।”

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতির জনক মুজিব জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ২৬ শে মার্চ দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসার কর্মসূচি রয়েছে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।”

“একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারত তাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেরও ৫০ বছর যৌথ ভাবে উদযাপন করছে চলতি বছরেই।”

“এর আগে গত সতেরই ডিসেম্বর ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

“নরেন্দ্র মোদীর সফর নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এস জয়শঙ্কর এক দিনের সফরে আজ ঢাকায় আসেন।’

“বিকেলে নাগরিক সমাজের সাথে এক আলোচনায় যোগ দেয়ার পর রাতেই তার দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।”

ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “করোনার কারণে একটি কঠিন সময় যাচ্ছে এবং দুই দেশ স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পরস্পরকে সহায়তা করছে।”

“ভারত থেকে বাংলাদেশে কোভিড ভ্যাকসিন দেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন “বৈঠকে সম্পর্কের নানা দিক তারা পর্যালোচনা করেছেন।”

‘দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে ব্যাপক সম্ভাবনা আছে।” অর্থনীতি, যোগাযোগ ও দু দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক -এসব বিষয়ে দুদেশের দারুণ সম্ভাবনা আছে।’

‘সীমান্তে হত্যা নিয়ে বাংলাদেশে যে উদ্বেগ রয়েছে তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, “বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে এ বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।”

‘বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। প্রত্যেকটি মৃত্যুই দুঃখজনক। কিন্তু কেন হচ্ছে বা সেখানে সমস্যা আসলে কী? সমস্যার কারণ হলো অপরাধ। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত -নো ক্রাইম, নো ডেথ। আমি নিশ্চিত আমরা যৌথ ভাবে এতে দৃষ্টি দিতে পারবো।

 

“ছয়টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে কাজ করছে ভারত ও বাংলাদেশ। কিন্তু তিস্তা নদীর পানি বণ্টন সমস্যা সমাধানে কোনো সময় সীমা নির্ধারণ করা গেছে কি-না একজন সাংবাদকের করা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন “এ নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন।”

“আমরা আলোচনা করেছি। আমাদের পানি সম্পদ সচিবরা শিগগিরই বৈঠকে বসবেন”। “আমি নিশ্চিত তারা এটা আলোচনা করবেন। “আমি জানি আপনারা সবাই এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান জানেন এবং সেটার কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

উল্লেখ্য, তিস্তার পানি নিয়ে ভারতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্মতি না পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিতে উপনীত হতে পারছেনা গত কয়েক বছর ধরেই”।

“২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দু দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।”

“এখন দু দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেয়ার কথা বলেছেন এস জয়শঙ্কর।”

“নতুন কোন ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন “এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে দুই দেশ এখন এক যোগে কাজ করছে না।”

‘সামনে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারে কানেকটিভিটি। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সঠিক কানেকটিভিটি হলে পুরো অঞ্চলের ভূ- অর্থনীতির পরিবর্তন হবে।”

” বঙ্গোপসাগরকেই ভিন্ন দেখাবে এবং আমরা বিশ্বাস করি এটা সম্ভব।” আমরা মনে করি তৃতীয় দেশকে অন্তর্ভুক্ত করেও এটা করা যায়”। বে অফ বেঙ্গলে কানেকটিভিটির ক্ষেত্রে আমরা জাপানকে নিয়ে কাজ করতে পারি, কারণ জাপানের সাথে আমাদের উভয় দেশের চমৎকার সম্পর্ক আছে”।

তিনি বলেন “কানেকটিভিটির পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে উভয় দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানো, যা দু দেশের সম্পর্কে অতিরিক্ত মাত্রা যোগ করবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *