রাত ৮:৪৬ । ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ । ৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ২০শে রজব, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : https://www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম
“কামড়ে দেবরের মাংস তুলে নিলেন ভাবি!” শ্যামনগরে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মৎস্য চাষীদের মানববন্ধন “ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্যামনগরে আসার খবরে চায়ের টেবিল সরগরম” সামরিক সরকার আদেশ অমান্য করে মিয়ানমারের তিন পুলিশ আশ্রয় নিল ভারতে “ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তার পানি আর সীমান্ত হত্যা নিয়ে যে ব্যাখ্যা করলেন” বিদ্যুতের খুঁটির জন্যে রক্ষা পেলো ৬০ বাস যাত্রীর প্রাণ! ভোরে গ্রেফতার, রাতে ‘র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত স্কুল কলেজ-“সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে আশার আলো দেখছে শিক্ষার্থীরা” বিক্ষোভে গুলিতে নিহত ৩৮- নিরাপত্তা পরিষদে আবারও বৈঠক প্রকাশ্যে গুলি করে তিন মহিলা সাংবাদিকে হত্যা

কলারোয়ায় অসহায় নারী শিক্ষার্থীর প্রতি ওসির ‘বিরল’ ভালোবাসা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক স্কুল ছাত্রীকে পড়া বন্ধ করে দিলো তার পিতা। কোন উপায় না পেয়ে ওই শিক্ষার্থী থানায় এসে তার পিতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে আসেন। এসময় অভিযোগটি শুক্রবার (১৯ফেব্রুয়ারী) সকালে পেয়ে থানায় পুলিশ দেখলো যে মেয়েটির পিতা দিনমজুর খুবই গরিব। মেয়েকে রেখে সে আরেকটি বিয়ে করেছে। এখন মেয়েকে পড়ানোর মতো তার কোন সমর্থন নেই। তাই মানবিক দিক থেকে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবির ওই মেয়ের পড়াশুনার দায়িত্ব নিলেন। প্রতি মাসে ২০০০ হাজার টাকা করে দিবেন বলে জানালেন। একই সাথে নগদ ২০০০ হাজার টাকা তুলে দিলেন ওসি মীর খায়রুল কবির। শুধু তাই নয়, করোনা কালিন সময়ে নিজের পকেটের টাকায় খাবারের ব্যবস্থা করেন এই উপজেলার অবেন অসহায় মানুষদের। এদিকে অসহায় স্কুল ছাত্রীর প্রতি সহানুভূতি মনোভাবের কারণে ওসি মীর খায়রুল কবিরে প্রশংসায় প্রশাংশিত উপজেলাবাসী। এই সহানুভূতির ছবি তুলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। এ প্রসঙ্গে ওসি মীর খায়রুল কবীর বলেন, ‘নামের জন্য কাজ করা যাবে না। মানুষ হয়ে মানুষের পাশে থাকতে হবে। যাই হোক সমাজিক কাজ করতে তার ভালো লাগে। ওসি মীর খায়রুল কবীর আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ সেবা ধর্মের প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনার মতো পুলিশ সদস্যদের এমন অনেক মানবিক উদাহরণ আছে। কিন্তু সেসব ঘটনা পত্রপত্রিকায় সেভাবে প্রচার পায় না। এসব প্রচার পেলে জনগণের মাঝে আমাদের “ইমেজের” পরিবর্তন আসবে বলে মনে করি। এদিকে ওই স্কুল ছাত্রীর নগদ টাকা দিয়ে এবং প্রতিমাসে ২০০০ হাজার করে পড়ার খরজ দিয়ে উপজেলাবাসীকে নতুন সমাজ গড়ার প্রত্যায় ব্যক্ত করায় এলাকাবাসী ওসি মীর খায়রুল কবীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

OC’s ‘rare’ love for helpless female students in Kalaroa

Desk Report: A schoolgirl in Kalaroa, Satkhira, was stopped by her father. Finding no way out, the student came to the police station to lodge a complaint against his father. The police received the complaint on Friday (February 19) morning and found that the girl’s father was a day laborer. He left his daughter and got married again. Now he has no support to teach the girl. So from the humanitarian point of view, Officer-in-Charge of Kalaroa Police Station Mir Khairul Kabir took the responsibility of educating the girl. He said that he will pay 2000 thousand rupees every month. At the same time, OC Mir Khairul Kabir handed over Rs 2,000 in cash. Not only that, Corona Kalin provided food to the helpless people of this upazila with her own pocket money. Meanwhile, the people of the upazila praised OC Mir Khairul Kabir for his sympathetic attitude towards the helpless schoolgirls. Many people have posted pictures of this sympathy on social media Facebook. In this context, OC Mir Khairul Kabir said, ‘Work cannot be done for name. You have to be by the side of people. Anyway, he likes to do social work. OC Mir Khairul Kabir further said, ‘Bangladesh Police Service is an institution of religion. There are many such humane examples of police members like this incident. But those incidents are not published in the newspapers in that way. I think if we get these propaganda, our “image” among the people will change. Meanwhile, the locals congratulated OC Mir Khairul Kabir for giving cash to the schoolgirl and paying Rs 2,000 per month to the people of the upazila to build a new society.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *