সকাল ৮:৩৭ । ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ । ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ । ২৩শে রজব, ১৪৪২ হিজরি


জরুরী নোটিশ/বিজ্ঞপ্তিঃ
* সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে ভিজিট করুন নীলাকাশ বার্তা ডট কম। ধন্যবাদ। জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোটাল নীলাকাশ বার্তা ডট কম পত্রিকায় জেলা/উপজেলা ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। অফিস : সুন্দরবন টাওয়ার (২য় তলা), নূরনগর বাজার, নূরনগর-৯৪৫১, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাঃ +৮৮০১৮৮৫-১৭৫৬৮০, +৮৮০১৯৫৬-৬৯৫৯৮১, ই-মেইল : nilakashbarta@gmail.com, nuruzzamannews@gmail.com, ফেসবুক : https://www.facebook.com/nilakashbarta
শিরোনাম
“ট্রেনের নিচে প্রেমিক যুগলের ঝাঁপ, জীবন গেল প্রেমিকের” “চলতি সপ্তাহের ভাইরাল সংবাদ “ফেঁসে যাচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা!” “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল প্রেরণা”- কবির নেওয়াজ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্র বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে “সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন বাপ্পী সভাপতি, সুজন সম্পাদক” “৪ যুবকের সঙ্গে কিশোরীর ‘প্রেম’, পরে লটারিতে মীমাংসা!” “শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে কাঁদতে কাঁদতে নববধূর মৃত্যু” গাড়িবোমা হামলা চালিয়ে ২০ জনকে হত্যা” “মিয়ানমারে চরম বিপাকে সেনাবাহিনী, রাস্তায় রাস্তায় ঝুলছে নারীদের লুঙ্গি!” “জোটের রাজনীতি- ঘরের আগুনে পুড়ছে ১৪ দল”

“প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে দেশ ও রাজনীতি ছাড়ছেন খালেদা!”

নীলাকাশ বার্তাঃ ঢাকার একটি প্রথম শ্রেণির জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে দেশ ও রাজনীতি ছাড়ছেন খালেদা!” এই ধরনের একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এর মধ্যে নিউজটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই সংবাদটি নীলাকাশ বার্তা এর পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো,,,,

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতি থেকে এখন বিচ্ছিন্ন । কারাবরণে তিন বছর পূর্ণ হয়েছে গতকাল। আইনিভাবে ব্যর্থ হয়ে বিশেষ শর্তে জামিনে রয়েছেন গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে। প্রথমে ছয় মাসের জন্য জামিন দেয়া হয়।

এরপর দ্বিতীয় দফায় গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। এ জামিনও শেষের পথে। খালেদা জিয়ার পরিবার সরকারের সাথে সমঝোতা করছেন। যেতে চাচ্ছেন লন্ডনে। দেশ ছাড়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন পরিবারকে। শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আবেদনে কী থাকছে, কীভাবে পূর্বের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছে পরিবার, এ বিষয়ে বিএনপির হাইকমান্ড অন্ধকারে রয়েছেন। খালেদা জিয়ার পরামর্শে পরিবারই সবকিছু করছেন।

দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে জানা গেছে, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইমেজ রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষুণ্ন হয়ে গেছে। তাই তিনি হয়তো আর রাজনৈতিক অঙ্গনে মৌলকভাবে আসবেন না। চিকিৎসা ও বেঁচে থাকাকেই পরিবার এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। শারীরিকভাবে নানা সমস্যায় জর্জরিত বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অধ্যায় হয়তো শেষের পথেই বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক নেতা জেলে গেলে অনেক সময় আরও বিকশিত হন, আরও বড় নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার জেলজীবন তার রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটছে দলের কার্যত ভূমিকার কারণে। আড়াই বছরে দল খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে কিছুই করতে পারেনি। তাই তিনি দেশ ছেড়ে লন্ডনে বসবাসকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন।

মার্চেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মুক্তি পাওয়ার সবুজ সংকেত রয়েছে সরকার থেকে। পরিবারের নির্ভরযোগ্য সূত্র দেশের একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খালেদার দেশ ছাড়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ চার আইনজীবী তার পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর একটি খসড়া আবেদন তৈরি করেছেন।

দলটির হাইকমান্ড মনে করছেন, খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকলেও পুরোপুরি মুক্ত নন। তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। তার এখন বেঁচে থাকাই একমাত্র পথ। তাই চলতি সপ্তাহেই পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানো হবে। নতুন জামিনের জন্য ফের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে লিখিত আবেদনে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি চাইবেন তারা।

খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি শুভেচ্ছা চিঠিও ইতোমধ্যে সিনিয়র আইনজীবীদের সহযোগিতায় তৈরি করেছেন বলে একটি সুত্র জানিয়েছে। আবেদন ও চিঠিতে অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। তার অনুমতি নিয়ে ভাই শামীম এসকান্দার ব্রিটিশ হাইকমিশনে নিজের ও বোন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টসহ কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলও সরকার অনুমতি দিলে খালেদার পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। সরকার অনুমতি দিলে ব্রিটিশ হাইকমিশন তার চিকিৎসার জন্য ভিসা দেয়ার ঘোষণা দেয় এর আগে।

এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য তারা ব্রিটেন যেতে ভিসা দেবেন।

আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন একটি গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিলো ভালো চিকিৎসা, উন্নত চিকিৎসা। উন্নত চিকিৎসা এখানে প্রপার ওয়েতে হচ্ছে না। এজন্য তিনি দেশের বাইরে যেতে চাইছেন, তার পরিবারও সেটি চাচ্ছে। এর আগেও পরিবার থেকে আবেদন করা হলে সরকার ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। এবারো যদি আবেদন করা হয় সরকার সেটাকে ইতিবাচক হিসেবে নেবে বলে আমরা আশা করছি। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানবিক দিকটি বিবেচনা করার জন্য আবেদনে উল্লেখ থাকবে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমটিকে বলেন, খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্র চিকিৎসার জন্য সাময়িকভাবে মুক্তি দিলেও খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না। তার এখন প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা যেটাকে আমরা চিকিৎসকের ভাষায় বলি— আধুনিক চিকিৎসা। তিনি অতীতে লন্ডন, নিউইয়র্কসহ যেখানে যে চিকিৎসা নিয়েছেন এখন সেখানেই সে চিকিৎসাগুলো নিতে হবে। বাসায় তাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। এখন তার প্রয়োজন স্থায়ী জামিন ও চিকিৎসা। খালেদা জিয়ার আইনজীবী কেন্দ্রীয় বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আমার সংবাদকে বলেন, এখন সব মহল থেকে যে স্থায়ী জামিনের কথা বলা হচ্ছে তা সরকারের ওপর নির্ভর করছে। আমরা চূড়ান্ত শুনানির জন্য আপিল করেছি। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিগগিরই তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইনজীবীরা ভালো জানেন, আইনজীবীরা কী করছেন, আমরা কিছু জানি না।

আরও পড়ুন 

মিয়ানমারের সাথে সম্পর্ক স্থগিত করছে নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড মঙ্গলবার মিয়ানমারের সাথে উচ্চ পর্যায়ের সামরিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে, অভ্যুত্থানের পরে দেশটির ক্ষমতাসীন জান্তাকে বিচ্ছিন্ন করার প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ।

ব্যবস্থা গ্রহণের সময় প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আর্ডারন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে “আমরা মিয়ানমারে যা ঘটে দেখছি তার তীব্র নিন্দা করার” আহ্বান জানিয়েছিল।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “মিয়ানমারে গণতন্ত্র গড়তে কয়েক বছর কঠোর পরিশ্রম করার পরে, আমি মনে করি সাম্প্রতিক সময়ে সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বাধীন আমরা যা দেখেছি তা প্রত্যক্ষ করতে প্রত্যেক নিউজিল্যান্ডের বিপর্যয় ঘটবে।”

“আমাদের শক্তিশালী বার্তা হ’ল আমরা এখানে নিউজিল্যান্ড থেকে যা করতে পারি তা করব।”

আর্ডারন বলেছিলেন যে পদক্ষেপে প্রবীণ সামরিক ব্যক্তিবর্গের ভ্রমণ নিষিদ্ধকরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

New Zealand suspends ties with Myanmar

New Zealand on Tuesday announced the suspension of high-level military and political ties with Myanmar, the first major international move to sever the country’s ruling junta since the coup.

In taking action, Prime Minister Jacinda Ardern called on the international community to “strongly condemn what we see happening in Myanmar.”

“After years of hard work to build democracy in Myanmar, I think every New Zealand disaster will happen to witness what we have seen in recent times, led by the military,” he told reporters.

“Our strong message is that we will do what we can here from New Zealand.”

Ardern said the move would include a travel ban on senior military personnel.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *